যুক্তরাষ্ট্রে যে ৫ স্থানে বিমান ওড়ে না! (ভিডিও)

জিয়া উল ইসলাম   |   ০৪:১২, অক্টোবর ১৭, ২০১৯

ওয়াশিংটনের বাস ভবন

যুক্তরাষ্ট্রের একটি জাতীয় এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা ওয়াশিংটনের বাস ভবন। কাঠ দিয়ে নির্মিত এই ভবনটি ১৭৫৮ থেকে ১৭৭৮ সালের মধ্যে নির্মিত হয়।

বাড়িটির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এর আশেপাশে ভারী কম্পন সৃষ্টি করে এমন সবকিছুর ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।

এ বাসভবনের নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানের ভারী কম্পনে যাতে কোনো ধরনের ক্ষতি না হয়, সেজন্য ভার্জিনিয়ার মাউন্ট ভার্নন অঞ্চলের ১,৫০০ ফুট উচ্চতার মধ্য দিয়ে কোনো প্রকার বিমান চলাচল করতে পারে না।

প্যানটেক্স নিউক্লিয়ার ফ্যাসিলিটি

প্যানটেক্স নিউক্লিয়ার ফ্যাসিলিটি টেক্সাসের আমারিলো থেকে ১৭ মাইল উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। সর্বসাধারণের জন্য তালাবদ্ধ এই জায়গাটিতে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ ও তার রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হয়।

স্বাভাবিকভাবেই এই এলাকায় কোনো বিমান দুর্ঘটনা ঘটুক বা নিরাপত্তার কোন রকমের হুমকির কারণ হোক তা এই দেশের সরকার চায় না। তাই এই অঞ্চলের চারপাশে দশ মাইল এলাকা জুড়ে কোনো প্রকার বিমান চলাচল করতে পারে না।

এরিয়া ফিফটি ওয়ান

আমেরিকার ব্যাপারে জানেন বা চেনেন, কিন্ত এরিয়া ফিফটি ওয়ানের নাম শোনেননি, এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। এটি এমন একটি জায়গা, যেটি নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই।

বলা হয় এখান থেকেই নাকি এলিয়েনদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করা হয়। এখানেই ইউএফও নামতে দেখেছেন অনেকে। যদিও এসব দাবির স্বপক্ষে কোনো শক্ত প্রমাণ নেই।

এখানে রয়েছে নেভাডার বিশাল মরুভূমি। এই স্থানেই যুক্তরাষ্ট্রের নতুন মিলিটারি প্রযুক্তির পরীক্ষা চালানো হয়।

নিরাপত্তার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক গোপনীয় এবং সুরক্ষিত জায়গা এটি। তাই এখানের আশেপাশের কোনরকম যাত্রীবাহী কিংবা সামরিক বিমান চলাচল করে না।

কেনেডি স্পেস সেন্টার

ফ্লোরিডায় অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টার। এখানে সবসময় হাজার খানেক মানুষ জড়ো হয়ে থাকে নতুন রকেট আকশে যাওয়ার দৃশ্য দেখার জন্য। সম্প্রতি এখান থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে পাঠানো হয়।

কিন্তু এই দৃশ্য কেবল মাটিতে থেকেই দেখতে হবে আপনাকে- বিমানে চড়ে দেখা কোন ক্রমে সম্ভব নয়। কেননা, কেনেডি স্পেস সেন্টারের আকাশ দিয়ে বিমান চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

ক্যাম্প ডেভিড

ম্যারিল্যান্ডের থারমাউন্টে অবস্থিত ডেভিড ক্যাম্প। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টের সময় থেকে এই প্রথা চালু হয়। গুরুত্বপূর্ণ সকল কূটনৈতিক চুক্তি এই ক্যাম্পে বসে সই করা হয়।

রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই স্থানে প্রায়ই বিভিন্ন দেশের নেতাদের আগমন দেখা যায়। মিশর এবং ইসরাইলের মাঝে সমঝোতা চুক্তির মতো বেশ কিছু চুক্তি এখানে স্বাক্ষরিত হয়।

তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই স্থানটির ওপর দিয়েও বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়।

জেডআই/আরআর


আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

সব খবর