বিশ্বের ক্ষমতাধর স্ত্রীরা

প্রিন্ট সংস্করণ   |   ০৫:২৩, অক্টোবর ১৯, ২০১৯

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক শক্তিধর দেশ। এখানে বসবাস করে আমেরিকার শক্তিধর সব প্রেসিডেন্টরা। আমরা কমবেশি এই প্রেসিডেন্টদের কথা জানি, কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি প্রেসিডেন্টদের স্ত্রী সম্পর্কে কতটুকু জানি! এই শক্তিধর প্রেসিডেন্টদের স্ত্রীদের নিয়ে আজকের আয়োজন লিখেছেন—জিয়া উল ইসলাম

ছয়টি ভাষায় কথা বলেন মেলানিয়া ট্রাম্প
মেলানিয়া ট্রাম্প একজন স্লোাভেনীয় ও মার্কিন সাবেক মডেল। তিনি মেলানিয়া নাউস নামেও পরিচিত। বর্তমানে মার্কিন ব্যবসায়ী এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫ তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্ত্রী। মেলানিয়া ২৬ এপ্রিল, ১৯৭০ সালে দক্ষিণ-পূর্ব স্লোভেনিয়াতে (তখনকার ইয়োগোস্লোভিয়ায়) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আমালিজা ও ভিক্টর নাভসের কন্যা। তার বাবা রাষ্ট্রায়ত্ত যানবাহন তৈরির কারখানার গাড়ি ও মোটরসাইকেলের ডিলার ছিলেন এবং স্লোভেনীয় কমিউনিস্ট পার্টির একজন সদস্য ছিলেন। তার পিতৃনিবাস ছিলো নিকটবর্তী রাদিচ শহরে, তার মা ছিলেন রাকা গ্রামের অধিবাসী, যিনি সেভনিকা শহরে জুটরাঞ্জা নামক একটি বাচ্চাদের কারখানায় সেলাইয়ের কাজ করতেন। মেলানিয়ার একজন বড় বোন রয়েছে, তার নাম ইনেস এবং একজন সৎ বড় ভাই আছে, যার সাথে তিনি কখনো দেখা করেননি, তার বাবার পূর্ব সম্পর্ক থেকে। সেভনিকা শহরের একটি ইটের দেয়ালে নির্মিত সাধারণ গৃহে তিনি বেড়ে উঠেছেন। যখন তিনি টিনএজার তখন তার পরিবার সেভনিকার একটি দ্বিতল বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার সময় তিনি একটি বহুতল ভবনে বসবাস করতেন। মেলানিয়া লুজবাঞ্জার একটি ডিজাইন ও ফটোগ্রাফি স্কুলে মাধ্যমিকে ভর্তি হন এবং লুজবাঞ্জজা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক বছর পর্যন্ত পড়ালেখা করেন।মেলানিয়ার পেশাগত ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, তিনি লুবিয়ানায় নকশা ও স্থাপত্যবিদ্যা বিষয়ের ওপর ডিগ্রিধারী।

মেলানিয়া ছয়টি ভাষায় কথা বলতে পারেন : তার স্থানীয় স্লোভেনীয়, সার্বো-ক্রোয়োশিয়, ইংরেজি, ফরাসি, ইতালীয় এবং জার্মান। ২০০১ সাল থেকে তিনি আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে বসবাস শুরু করেন এবং ২০০৬ সালে নাগরিকত্ব পান। ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডির দায়িত্ব পালন করছেন। আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম সাক্ষাৎ হয় ১৯৯৮ সালে। উপলক্ষ ছিলো নিউইয়র্কের একটি ফ্যাশন উইক পার্টি। আবেদনময়ী এই নারী নজর কেড়ে নেন ২০ বছরের বড় ট্রাম্পের। যদিও ট্রাম্প বরাবরই সুন্দরীদের প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট ছিলেন। সে সময় ট্রাম্প দ্বিতীয় স্ত্রী অভিনেত্রী মার্লা ম্যাপলের সঙ্গে বিচ্ছেদে চলে গিয়েছিলেন। মেলানিয়া ও ডোনান্ড ট্রাম্পের দীর্ঘদিন বন্ধুত্বের সম্পর্ক চলার পর তাদের বাগদান সম্পন্ন হয় ২০০৪ সালে। তারপর মেলানিয়া ট্রাম্প ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিয়ে সম্পন্ন হয় ২০০৫ সালের ২২ জানুয়ারি। এরপর ২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডির ভূমিকা পালন করছেন। আমেরিকার মানুষদের চোখে এবং আমেরিকার ইতিহাসে বর্তমানে তিনি অন্যতম আবেদনময়ী ফার্স্ট লেডি ।

গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার পান হিলারি ক্লিনটন
হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন একজন মার্কিন রাজনীতিবিদ ও সাবেক পররাষ্ট্রসচিব। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি বিল ক্লিনটনের স্ত্রী। হিলারি ক্লিনটন ইলিনয় রাজ্যের শিকাগোতে ১৯৪৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য এবং নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার সিনেটরের দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনীতিতে প্রবেশের আগে হিলারি আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। হিলারি রডহ্যাম ১৯৭৫ সালের অক্টোবর মাসে বিল ক্লিনটনকে বিয়ে করেন, কিন্তু তখন পশ্চিমা দেশের প্রথা মতো তিনি স্বামীর পদবি গ্রহণ করেননি। তবে কিছুদিন পর বিল ক্লিনটন যখন রাজনৈতিক পদ গ্রহণ করেন, তখন মিসেস ক্লিনটনের নাম হয় হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন। তবে গত বছর নির্বাচনি প্রচারের ফাঁকে ওয়াশিংটন পোস্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হিলারি ক্লিনটন নামেই তিনি পরিচিত হতে চান। তিনি ১৯৯৩ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আমরিকান ফার্স্ট লেডি ছিলেন। তার আবেদনময়তার ছিলেন শীর্ষে। রূপে-গুণে ছিলেন অন্যন্যা। তিনি ১৯৯৭ সালে হিলারি ক্লিনটন আমেরিকার সেরা সঙ্গীত পুরস্কার গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন। এটা ছিলো নন-মিউজিক্যাল ক্যাটেগরিতে। আকর্ষণীয় রূপের পাশাপাশি যদি যোগ হয় নির্ভীক, মহান ও নিজেকে আলাদা সম্মানে ভূষিত করার প্রচেষ্টাকারীর গুণ, তবে তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। সে হিসেবে অবশ্যই নাম আসবে হিলারি ক্লিনটনের।

কালো থেকে আলো দেখিয়েছেন মিশেল
মিশেল ওবামা। মিশেল লভান রবিনসন ওবামা হলেন একজন আমেরিকান আইনজীবী ও লেখক, যিনি ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি ছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম ও সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সহধর্মিণী এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান ফার্স্ট লেডি।

১৭ জানুয়ারি ১৯৬৪ সালে তিনি জম্মগ্রহণ করেন তিনি। ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের অন্তর্ভুক্ত শিকাগোর উত্তরাংশে বেড়ে ওঠা মিশেল ওবামা প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় ও হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে গ্রাজ্যুয়েশন সম্পন্ন করেন। কর্মজীবনের শুরুতে তিনি সিলডি অস্টিন নামক একটি আইন সংস্থায় কর্মরত ছিলেন যেখানে প্রথমবার বারাক ওবামার সাথে তার পরিচয় ঘটে। পরবর্তীকালে তিনি শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েট ডিন অব স্টুডেন্ট সার্ভিস এবং শিকাগো মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফর কমিউনিটি অ্যান্ড এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স পদেও কর্মরত ছিলেন।

১৯৯২ সালে বারাক ওবামা ও মিশেল ওবামা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন এবং এই দম্পতির দুই সন্তান রয়েছে। সৌন্দর্যের দিক থেকে তিনি কোনো অংশেই পিছিয়ে নন। বরং কৃষ্ণাঙ্গ হয়েও তিনি অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী হিসেবেই সারা বিশ্বে বিবেচিত। এমনকি, আমেরিকার ইতিহাসে তিনি আবেদনময়ী ফার্স্ট লেডি হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছেন। তার ফ্যাশনসচেতনতা সবাইকে মুগ্ধ করে। মাথা থেকে পা পর্যন্ত তার ফ্যাশনশৈলী শীর্ষে অবস্থান করেছে। সবাই তার সাবলীল ফ্যাশন বৈচিত্র্যতার জন্য নিজেদের অনুপ্রেরণীয় ব্যক্তিত্ব ভাবেন। কালোর মাঝেই সবাইকে আলো দেখিয়েছেন তিনি।

‘যে চুমু দিতে পারবে সে আমাকে বিয়ে করবে’
বারবারা পিয়ার্স বুশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম রাষ্ট্রপতি জর্জ এইচ ডাব্লিউ বুশের স্ত্রী। তিনি ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ফার্স্ট লেডির মর্যাদা লাভ করেন। তিনি ৪৩তম রাষ্ট্রপতি জর্জ ডব্লিউ বুশের মা। ১৯২৫ সালে ৮ জুন জম্মগ্রহণ করেন তিনি। বারবারা ও সিনিয়র বুশের বিয়ে হয় তরুণ বয়সেই। তাদের প্রথম সাক্ষাৎ হয় কলেজ প্রাঙ্গণে। বারবারা বলেন, ‘শুধু সেই ছেলেটিই চুমু দিতে পারবে যে আমাকে বিয়ে করবে।’ সুন্দরী বারবারার সেই চ্যালেঞ্জ অকপটে নিয়ে নেন সিনিয়র বুশ। বিয়ে হয় তাদের, স্বামী হন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। বারবারা শুধু ভাগ্যবতীই নন, তিনি আমেরিকার ইতিহাসে আবেদনময়ী ফার্স্ট লেডি হিসেবেও গ্রহণ করেন আসন । বারবারা বুশ তিনি ২০১৮ সালে ১৭ এপ্রিল মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

থিয়েটার ও নাট্যকর্মী ন্যান্সি
জম্ম নাম অ্যান ফ্রান্সেস রবিন্স পরিচিতি হয়েছেন ন্যান্সি ডেভিস রিগ্যান নামে ৬ জুলাই ১৯২১ সাল থেকে ৬ মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি রোনাল্ড রিগ্যানের সহধর্মিণী। তিনি ১৯৮১ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি পদবি ধারন করেছিলেন। তিনি ৪০তম আমেরিকান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের স্ত্রী ছিলেন। সুন্দরের অন্যতম উদাহরণ ন্যান্সি রিগ্যান। ফার্স্ট লেডি হিসেবে প্রথমেই তিনি নিজেকে সুন্দর দেখানোয় সচেষ্ট ছিলেন। দ্বিতীয়ত আমেরিকার ইতিহাসে তিনি নিজেকে সবচেয়ে বেশি আবেদনময়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতেও আগ্রহী ছিলেন। এ কারণে তিনি রূপ, পোশাক ও শারীরিক ফিটনেসের ব্যাপারে সচেতন থাকতেন।

বলা বাহুল্য, তিনি দেখতেও অনেক আকর্ষণীয় ছিলেন। বিয়ের আগে ন্যান্সি একজন নামকরা অভিনেত্রী ছিলেন। থিয়েটার ও নাটক ছিলো তার প্রাণ। আমেরিকার ফার্স্ট লেডি হওয়ার পরও এসবের প্রতি ন্যান্সির প্রচণ্ড ভালোবাসা কাজ করতো। তিনি বিভিন্ন নাটক এবং বাদ্যযন্ত্রের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতেন। এমনকি হোয়াইট হাউসে বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত ডিনার পার্টিতে ন্যান্সির পারফরম্যান্স দেখেছেন সবাই। বিদেশি অতিথিদের আপ্যায়নের সময়ও তিনি নানা রকম পারফর্মে সবাইকে মুগ্ধ রাখতেন। তার স্টাইল সেন্স ছিলো প্রশ্নাতিতভাবে গ্রহণযোগ্য। ন্যান্সির পরিহিত পোশাকের বর্ণনাও ছিলো মনোমুগ্ধকর। এসব পোশাক তৈরি করতো দেশের নামকরা সব পোশাক নকশাকাররা। এ জন্য অবশ্য তাকে মাঝে মাঝেই সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

একাধারে লেখিকা শিক্ষক গ্রন্থাগারিক লরা বুশ
লরা লেন ওয়েল বুশ ৪ নভেম্বর, ১৯৪৬ সালে জম্মগ্রহণ করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি জর্জ ডাব্লিউ বুশের সহধর্মিণী। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত ফার্স্ট লেডি সম্মাননা লাভ করেন। প্রাক্তন শিক্ষার্থী তিনি সাউদার্ন মেথডিস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে বি এস করেন এবং ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিন এম এস করেন তিনি একাধারে লেখিকা, শিক্ষক, গ্রন্থাগারিক ছিলেন। আমেরিকার ৪৩তম প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশের স্ত্রী লরা বুশ। তিনি অন্যতম জনপ্রিয় ও আবেদনময়ী ফার্স্ট লেডি হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। স্বামীর সঙ্গে তিনি অনেক কাজে প্রত্যক্ষ অংশীদারিত্ব করেছেন। জর্জ বুশের গভর্নরটারিয়াল রেস ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি মূল বক্তব্যও রাখতেন। তাতে আশ্বস্ত হয়ে অসংখ্য অনুসারী ও সমর্থক হয় বুশের। ফার্স্ট লেডি হিসেবে তিনি স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিষয়ে অগ্রগামী বেশ কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছেন। রূপবতী এই নারীর গুণ থেকে হেঁসেল ঘরের দক্ষতাও বাদ যায়নি। তিনি নতুন রেসিপি দিতে পছন্দ করতেন। পরবর্তীতে তা আমেরিকার বহু পরিবারের প্রিয় খাদ্যের রেসিপি হয়। লরা বুশের দুই সন্তান— বারবার পিয়ার্স বুশ ও জেনা বুশ।

রাষ্ট্রদূত ছিলেন রোজালনি
১৮ আগস্ট ১৯২৭ সালে এলনির রোজালনি কার্টার জম্মগ্রহণ করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিমি কার্টারের সহধর্মিণী ছিলেন। তিনি ১৯৭৭ সালে থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত ফার্স্ট লেডির মর্যাদা লাভ করেন। তিনি একজন আইনজীবী ছিলেন। সুন্দরী রোজালিন শুধু নিজের রূপচর্চায় দিন পার করেননি। সক্রিয় ছিলেন রাজনীতি ও প্রশাসন বিভাগে কাজ করে। এলনির রোজালনি ল্যাটিন আমেরিকাতে বিদেশি রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেন। তা ছাড়া নিয়মিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকও করতেন। তিনি মানসিক রোগীদের কল্যাণে আবেগপ্রবণভাবে লড়াই ও গবেষণা করে গেছেন। বলা বাহুল্য, রোজালনি পোশাকের ব্যাপারে খুব মার্জিত রুচির পরিচয় দিতেন। সব মিলে তিনি সবার পছন্দের জায়গায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিলেন।

 


আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

সব খবর