সেই সুমি সৌদি পুলিশের হেফাজতে

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   ১০:৩৬, নভেম্বর ০৫, ২০১৯

সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মী সুমি আক্তারকে তার কর্মস্থল থেকে উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে দেশটির পুলিশ।সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে তাকে জেদ্দার দক্ষিণ-দক্ষিণে নাজরান এলাকার কর্মস্থল থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয় বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের এক কর্মকর্তা।

রূপসী বাংলা ওভারসিজের মাধ্যমে এ বছরের ৩০ মে সৌদি আরবে যান সুমি আক্তার। ভালো কাজের আশায় আরব দেশটিতে পাড়ি জমান কম বসয়ী এ তরুণী। সেখানে যাওয়ার পর থেকেই স্বজনদের কাছে তার ওপর নির্যাতনের ঘটনা বলতেন সুমি। দালালরা বিদেশে পাঠানোর কথা বলে তাকে যে বিক্রি করে দিয়েছে সে কথা জানতেন না সুমি। সৌদি যাওয়ার সপ্তাহখানেক পর থেকে শুরু হয় তার ওপর মারধর, যৌন হয়রানিসহ নানা নির্যাতন।

সম্প্রতি ফেসবুকে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজের ওপর পাশবিক নির্যাতনের কথা বলে সুমি তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনুরোধ জানান। পরে ভিডিওটি ভাইরাল হয়।

সুমির গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড়ের বোদা সদর থানায়। তারা বাবা রফিকুল ইসলাম। তার স্বামী নুরুল ইসলাম। আশুলিয়ার চারাবাগের নুরুলের সঙ্গে দুই বছর আগে তার বিয়ে হয়।

নুরুল ইসলাম বলেন, আমার স্ত্রী সৌদিতে বড় বিপদে পড়েছে। সুমিকে অনেক নির্যাতন করা হয়েছে। তাকে মারধর করা হয়েছে। এজন্য আমি থানায় মামলা করেছি। আমি আমার স্ত্রীকে দেশের মাটিতে দেখতে চাই।

এমএআই


আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

সব খবর