রপ্তানিতে ৬ খাতে সম্ভাবনা দেখছে যুক্তরাষ্ট্র

আমার সংবাদ ডেস্ক   |   ০৬:৫৩, নভেম্বর ০৬, ২০১৯

বাংলাদেশে তৈরি পোশাক ছাড়াও আরো অন্য ছয়টি খাতকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র। রপ্তানিতে বৈচিত্র আনতে যুক্তরাষ্ট্র তৈরি পোশাক শিল্পের পাশাপাশি অন্য খাতগুলোকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক দাতা সংস্থা ইউএসএইড সমন্বিত বেসরকারি সেক্টর মূল্যায়ন বা পিএসএ নামে একটি জরিপ পরিচালনা করে। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ঢাকাস্থ আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স উদ্বোধনকালে সংস্থার পক্ষ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪০.৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছিল যার ৪৫ শতাংশই তৈরি পোশাক খাত থেকে অর্জন করে।

ইউএসএইডের সমীক্ষায় বলা হয়েছে, কৃষিক্ষেত্র (খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ), স্বাস্থ্যসেবা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং আউটসোর্সিং, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং পর্যটন খাতগুলোতে ব্যয় এবং বিনিয়োগ বাড়ালে তা তৈরি পোশাক খাতকে ছাড়িয়ে যাবে।

মার্কিন দূতাবাস বলছে, দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার এবং রপ্তানিতে বৈচিত্রতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এই সমীক্ষা পরিচালিত হয়েছে।

সমীক্ষাটি পরিচালনার জন্য মোট ১৬ টি খাতকে বেছে নেয় ইউএসএইড। খাতগুলোর মধ্যে সিরামিকস, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জাম, প্লাস্টিক, নবায়নযোগ্য শক্তি ও জ্বালানি দক্ষতা, শিপ বিল্ডিং, চিংড়ি, মাছ, টেলিযোগাযোগ এবং অটোমোবাইল উল্লেখযোগ্য।

নীতিগত কারণে বাংলাদেশের পুরনো ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পখাতগুলোকে এই সমীক্ষার আওতায় বিবেচনা করা হয়নি। দূতাবাস বলছে, সরকারের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে দেশীয় খাতগুলোর দক্ষতার ভিত্তিতে তাদের বিনিয়োগ করা হবে। এছাড়াও চলমান শিল্পগুলোর সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে অগ্রাধিকার কৌশল নির্ধারণ করা হবে।

বাংলাদেশী বেসরকারী পরামর্শক সংস্থা ইন্সপায়ার অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেড, অক্টোবর ২০১৮ এবং জুলাই ২০১৯ এর মধ্যে গবেষণাটি পরিচালনায় সার্বিক সহায়তা করেছে।

বাংলাদেশে অবস্থিত আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন, সংস্থার উপ-প্রশাসক বনি গ্লিক, বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম এবং বাংলাদেশস্থিত আমেরিকান মিশন প্রধান জো অ্যান ওয়্যাগনার।

এসএ


আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

সব খবর