‘উন্নয়ন দূষণে’ দম বন্ধের উপক্রম

প্রিন্ট সংস্করণ॥জাহাঙ্গীর আলম   |   ০১:৪৩, নভেম্বর ০৭, ২০১৯

ফার্মগেটে আসার আগেই যানজটে গাড়ি চলেই না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় থাকতে হচ্ছে। দীর্ঘ সময়ে রাস্তার ধুলাবালি গিলে খেতে হচ্ছে। গাড়ির ঘ্যানঘ্যানানি-প্যানপ্যানানি খুবই খারাপ লাগছে। মেট্রোরেলের উন্নয়নকাজ শুরুর পর থেকেই এই শোচনীয় অবস্থা।

ময়লা, ধুলাবালিতে জীবন যেন অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে। প্রাইভেট গাড়ি বন্ধ করলে হয়তো ভোগান্তি কিছুটা কমতে পারে। এভাবেই মোহাম্মদপুর থেকে মতিঝিলে যেতে যেতে ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ তার খেদোক্তির কথা জানান।

গ্রিনভিউ হাউজিংয়ের বাসিন্দা নোয়াখালীর এই ব্যবসায়ী আরও বলেন, প্রতিদিনই ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায় যেতে হয়। শুধু মেট্রোরেল নয়, বিভিন্ন উন্নয়নকাজের দূষণে রাজধানী যেন অচল শহর হয়ে গেছে। কর্তৃপক্ষ খেয়াল না করায় এ দুরবস্থা। এই অভিযোগ শুধু আবুল কালামের নয়, ঢাকার প্রায় দুই কোটি মানুষেরই একই কথা। অথচ পরিবেশের কোনো ক্ষতি হবে না বলে প্রকল্প অনুমোদনের আগে পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ছাড়পত্র নিয়ে থাকে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারত, চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মেট্রোরেল নির্মাণেও খোঁড়াখুঁড়ি হয়। কিন্তু তারা সহনীয় পর্যায়ে দূষণের মাত্রা রাখার চেষ্টা করে। ফলে পথচারীদের জন্য পীড়াদায়ক তেমন হয় না।

বিভিন্ন সূত্র জানায়, রাজধানীর যানজট কমাতে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকায় উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০ কিলোমিটারের মেট্রোরেল নির্মাণ করা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়নে পরামর্শকদের জন্য হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যয় করা হচ্ছে। ২০১২ সালের ১৮ ডিসেম্বর প্রকল্পটি অনুমোদন দেয় সরকার।

পুরো কাজ ২০২২ সালে শেষ হবে। ১৬টি স্টেশন দিয়ে দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে এক ঘণ্টার কমই সময় লাগবে। আটটি প্যাকেজে করা হচ্ছে এর কাজ। তবে অগ্রগতি খুবই কম। প্রায় সাত বছরে এখনো ৩০ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়নি।

সরেজমিন বিভিন্ন সড়কে দেখা যায়, কাজে দেরি হওয়ায় প্রতিনিয়ত ভোগান্তিও বাড়ছে জনগণের। যানজটের সাথে সড়কের ধুলার দূষণে প্রায় সময়ই পথচারীদের নাক চেপে হাঁটতে হচ্ছে। এভাবে একদিকে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে, অন্যদিকে স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে।

রাজধানীতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে যানজট। তাই মেট্রোরেল-০৫ নামে হেমায়েতপুর থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত সাড়ে ছয় কিলোমিটার এবং আমিন বাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার মাটির নিচেও মেট্রোরেল করার জন্য সরকার সম্প্রতি অনুমোদন দিয়েছে। দীর্ঘ এই মেট্রোরেল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪১ হাজার কোটি টাকারও বেশি। যাত্রীদের জন্য পথে ১৪টি স্টেশন থাকবে। এই প্রকল্পের কাজ ২০২৮ সালে শেষ হবে। এ প্রকল্পে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।

অপরদিকে মেট্রোরেল-০১ নামে বিমানবন্দর-কুড়িল-কমলাপুর আন্ডারপাস হবে ১৬ দশমিক ২১ কিলোমিটার এবং নতুনবাজার-পূর্বাচল রুটে হবে ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার এলিভেটেড মেট্রোরেল। প্রায় ৩১ কিলোমিটারের বেশি দীর্ঘ এ উড়াল-পাতাল পথ নির্মাণে ৫২ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ ২০২৬ সালে বাস্তবায়ন করা হবে।

এভাবে বছরের পর বছর পোহাতে হবে ভোগান্তি। তাই অনেকেই মূল ঢাকা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন, বিশেষ করে যারা একটু খারাপ পরিবেশ সহ্য করতে পারেন না। এমনও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এছাড়া অল্প বৃষ্টিতেই খোদ প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়, মতিঝিল এমনকি সংসদ ভবন এলাকা তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাপকভাবে হইচই পড়লে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নকাজ করছে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ। কোনো কোনো এলাকার উন্নয়নকাজ করছে ওয়াসাও। কিন্তু যত্রতত্র খেয়াল-খুশিমতো এসব কাজ করছে কর্তৃপক্ষ। সুন্দর রাস্তা কাটা হলেও সংস্কারে নেই নজর।

সরেজমিন দেখা যায়, খোদ বঙ্গভবনের সামনের রাস্তা কেটে পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কিন্তু বিশাল আকারের ড্রেন করা হলেও সড়কের কার্পেটিংয়ের চেয়ে উঁচু করে বালুর রাস্তা বানিয়ে রেখেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই তা পথচারীদের চোখেমুখে পড়ছে।

এ ব্যাপারে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শাহ আলম খান অভিযোগ করে জানান, কর্মক্ষেত্রের কারণে প্রতিদিন ঢাকার বিভিন্ন সড়ক পার হতে হয়। কিন্তু যেখানে সেখানে উন্নয়ন কাজের ধুলাবালি পড়ে থাকায় চোখে পড়ে মারাত্মক ক্ষতি হয়। বাধ্য হয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহার করতে হচ্ছে।

শুধু ওই শাহ আলমই নয়, প্রতিদিনই রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে এভাবেই পথচারীদের চোখেমুখে ধুলিবালি পড়ছে। ঢাকা শহরকে যানজট ও পানিমুক্ত করার জন্য সরকার উদ্যোগ নিলেও কর্তৃপক্ষের অদক্ষতা, অজ্ঞতা ও অনভিজ্ঞতার কারণে ভোগান্তি সীমাহীন পর্যায়ে চলে গেছে বলে ভুক্তভোগী ও বিশেষজ্ঞরা জানান।

এছাড়া দীর্ঘদিন থেকে বিমানবন্দর থেকে গাজীপুর এলিভেটেড এক্সপ্রেসের উন্নয়ন কাজের কারণে মূল সড়কে বেরোলেই মুখোমুখি হতে হচ্ছে ধুলার। এ রোডে এক বছর জুড়ে চলছে উন্নয়নের খোঁড়াখুঁড়ি। বর্ষাজুড়েই ছিলো কাদা-পানি আর খানাখন্দের দুর্ভোগ। এখন শীত আসতে না আসতেই সর্বসাধারণকে পড়তে হচ্ছে ধুলাদূষণে। প্রতিনিয়ত স্কুল-কলেজে যাতায়াতকারী কোমলমতি শিক্ষার্থী ছাড়াও এ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সর্বসাধারণ।

যেন দেখার কেউ নেই। উন্নয়ন-ধুলায় শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছে জনগণকে। শুধু উন্নয়নের খোঁড়াখুঁড়িই নয়, নিয়ম না মেনে বহুতল ভবন নির্মাণের মাটি, বালু, সিমেন্ট, পাথর, নুড়িপাথর, কংক্রিট যত্রতত্র রেখে দেয়া হচ্ছে। শুকনো ময়লা রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ায় তা ধুলায় পরিণত হয়ে দূষণের সৃষ্টি করছে। আবার কোনো কোনো এলাকায় ভাঙাচোরা রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় তা থেকেও সৃষ্টি হচ্ছে ধুলার।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীতে শ্বাসকষ্ট, যক্ষ্মা, হাঁপানি, চোখের সমস্যা, ব্রঙ্কাইটিস, সর্দি, কাশি, হাঁচিসহ ফুসফুসে ক্যান্সারের রোগীর সংখ্যাই বেশি। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে ধুলার দূষণ। এ কারণেই নানা সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ছে। মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে রাজধানীবাসী।

আদালতের নির্দেশনা রয়েছে, পানি ছিটাতে হবে দুই সিটিকে। কিন্তু শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি রোধে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না। সম্প্রতি দূষিত রাজধানীর তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় হওয়ায় অনেক সমালোচনা শুরু হলেও দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। যদিও উন্নয়নমূলক কাজের কারণে ঢাকা মহানগরীতে সৃষ্ট ধুলাবালি প্রতিরোধে সকাল-বিকাল রাস্তায় পানি দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গত ২৮ জানুয়ারি এ নির্দেশের পাশাপাশি ঢাকা শহরে যাদের কারণে বায়ুদূষণ হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সপ্তাহে দুবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. একেএম রফিক আহাম্মদের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ব্যস্ত থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

তবে অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেন আমার সংবাদকে বলেন, মেট্রোরেলসহ সব প্রকল্প অনুমোদনের আগেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়ে থাকে। তাতে স্পষ্ট বলা থাকে, উন্নয়ন কাজে পরিবেশের কোনো ক্ষতি করা যাবে না। মেট্রোরেলকে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন পানি ছিটাতে। এছাড়া আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতও তাদের মোটিভেশন দিয়ে থাকে যাতে কোনোক্রমেই বায়ূদূষণ না হয়।

বঙ্গভবনের সামনেই ড্রেনের কাজ করতে গিয়ে সড়কের চেয়ে উঁচু করে বালি ফেলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আসলে একেবারে খুব কাছে যাওয়ার সুযোগ কম থাকে। তারপরও এটা কেন করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

সার্বিক ব্যাপারে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের অধ্যাপক ড. শামসুল হক আমার সংবাদকে বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ঢাকার দূষণ খুবই ভয়াবহ। নির্মাণকাজ হলে ভোগান্তি হবে, তা প্রত্যাশিত। কিন্তু সময়ের কাজ সঠিক সময়ে না হওয়ায় ভোগান্তির মাত্রা বেশি।

পরামর্শকদের পেছনে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেও উন্নত বিশ্বের মতো কিছু করা হয়নি। দূষণের মাত্রা কেন বেশি? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, উন্নয়ন কাজের ধুলা দূর করতে বিশ্বে পানি ছিটানো হয়। কিন্তু আমাদের শহরে হয় না বলে ভয়াবহ দূষণ হচ্ছে। তাই কষ্টের বোঝা পোহাতে হচ্ছে ঢাকাবাসীকে। কর্তৃপক্ষের নজরদারি নেই বলেই এই দুরবস্থা। মেট্রোরেলের বিশাল কর্মযজ্ঞে নেই কোনো যোগ্য লোক।

টেকনিক্যাল কাজ আমলাদের দিয়ে করা হচ্ছে। পৃথিবীতে এটা রেকর্ড। এটা অনন্য দৃষ্টান্ত এ জন্য যে, এত উঁচুমানের কাজ কিভাবে সাবেক আমলাদের দিয়ে করা হচ্ছে। অনভিজ্ঞ বলেই তারা কাজ আদায় করে নিতে পারছে না। কাউকে খুশি করার জন্যই হয়তো এটা করা হচ্ছে। এজন্য কাজের গুণগতমান নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। বাইরের লোককে কাজে লাগাতে অভিজ্ঞতা দরকার। এভাবে জিরোরা অল্প সময়ে হিরো হয়ে যাচ্ছে। তাদের অদূরদর্শিতা ও অজ্ঞতার কারণেই ঢাকায় অকল্পনীয়ভাবে বাড়ছে এই দূষণ। তাই জনগণকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তারা অত্যন্ত বিপদগ্রস্ত হয়ে যাচ্ছে।

দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি বলেন, অসুস্থ মানুষকে কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে লাভ হবে? ৯০ দশকের পর বেড়িবাঁধ ও বিজয় স্মরনী ছাড়া আর কোনো সড়ক হয়নি। উন্নয়নের পথচলা যেন এলেমেলো হয়ে যাচ্ছে। কারো কোনো হুঁশ হচ্ছে না নতুন রাস্তা করার।

পরিবহনের সাথে যারা জড়িত তাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। ঢাকার দূষণ কমানো কি সম্ভব এমন প্রশ্নের উত্তরে এই যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, বিশ্বে উন্নয়নকাজ হলেও আইন মেনে করায় দূষণ হয় না। কারণ তারা জরিমানার ভয়ে ভালোভাবে কাজ করে। রাস্তায় সঠিক সময়ে পরিমিত পানি ছিটানো হয়। অথচ আমাদের দেশে নামকাওয়াস্তে হচ্ছে এসব কাজ। দূষণ কমার কোনো কমপ্লায়েন্স নেই। সব তামাশার কাজ হচ্ছে। তাই সরকারের অর্জন বিশৃঙ্খলায় ম্লান হয়ে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে সরকারের স্বপ্ন অলীক থেকে যাবে বলে জানান সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের এই অধ্যাপক।

যতই দিন যাচ্ছে ততই দূষিত হচ্ছে রাজধানী কেন? এমন প্রশ্নের ব্যাপারে নগর পরিকল্পনাবিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আকতার মাহমুদ এ প্রতিবেদককে বলেন, উন্নয়নকাজ হলে ভোগান্তি আসবে। তবে দেখার বিষয় সুস্থ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কতটা কমে করা যায়। এ জন্য মিটিগেশন প্ল্যান একান্ত দরকার। অর্থাৎ বিকল্প পথের ব্যবস্থা করা, সড়কে পানি ছিটানো ও গার্ড দেয়া। যাতে জনভোগান্তি না হয়। এ জন্য বাইরের কনসালটেন্টদের অভিজ্ঞতার সাথে দেশীয় বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের কাজের অভিজ্ঞতা একান্ত দরকার।

বর্তমানে ঢাকায় দূষণ কোন পর্যায়ে এমন প্রশ্নের উত্তরে এ পরিকল্পনাবিদ বলেন, অবশ্যই অসহনীয় পর্যায়ে চলে গেছে। ঢাকার এই দূষণ রেটিং বিপজ্জনক পর্যায়ে। স্বাস্থের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এটা যেন কম হয় সেজন্য রাস্তায় সঠিক ও পরিমিতভাবে পানি ছিটাতে হবে কর্তৃপক্ষকে। উন্নয়নের এই কাজ আগে করা হলে এতো বেশি মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হতো না বলে জানান তিনি।

সার্বিক ব্যাপারে জানতে মেট্রোরেল প্রকল্প পরিচালক মো. আফতাবউদ্দিন তালুকদার, ঢাকা গণপরিবহন কোম্পানি লিমিটেড (মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএনই সিদ্দিক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু সচিব মো. নজরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। এ জন্য তাদের কোনো মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইয়ের সাথে যোগাযোগ করা হলেও ফোন না ধরায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

দক্ষিণ সিটির মেয়র মোহাম্মদ সাইদ খোকনের সাথে যোগাযোগ করা হলেও কথা বলা বলা সম্ভব হয়নি। প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. জাহিদ হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাস্তার কাজ আমি করি না, তাই কিছু বলা সম্ভব নয়। প্রধান প্রকৌশলী রেজাউল করিম বলতে পারবেন। তাই রেজাউল করিমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন না ধরায় মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এসটিএমএ


আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

সব খবর