পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ জানালেন কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক   |   ০৪:৩৪, নভেম্বর ১৫, ২০১৯

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সিন্ডিকেটের কারণেই পেঁয়াজের বাজারের এ অবস্থা হয়েছে। যাদের কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে, তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। শিগগিরই পেঁয়াজের দাম কমবে। কারণ বিভিন্ন দেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ আসছে বাংলাদেশে।

শুক্রবার (১৫ নরেভম্বর) সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এম কামাল উপস্থিত ছিলেন।

গেলো সেপ্টেম্বরে পিয়াজের দাম ঝাঁজ ছাড়ানো শুরু করলেও গত দেড় মাসে কিছুই করতে পারেনি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। লোক দেখানো কয়েকটি বৈঠক-অভিযান আয়োজন ও প্রতিশ্রুতির নামে মিথ্যা আশ্বাসই কেবল দেয়া হচ্ছে দেশের জনগণকে।

দিনে দিনে পেঁয়াজ সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। বর্তমানে বাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২১০ থেকে ২২০ টাকা। গত এক সপ্তাহ আগে প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা। সে হিসাবে শুধু এক সপ্তাহের ব্যবধানে রান্নায় অতি প্রয়োজনীয় এ মসলা জাতীয় পণ্যটির প্রতিকেজি দাম বেড়েছে ৯৫ টাকা।

এ বিষেয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সিন্ডিকেটের কারণেই পেঁয়াজের দাম বাড়ছে। পেঁয়াজ, চাল, ধানসহ বিভিন্ন সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয় বলেই পরে তা আবার স্বাভাবিক হয়ে আসে। পেঁয়াজের সিন্ডিকেট চিহ্নিত হলে তারা অবশ্যই শাস্তি পাবে। কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি তো আইনের শাসনে বিশ্বাসী নয়। তারা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে চায় না। বিএনপি নেতারা নিজেরাই বারবার বলছেন, তাঁরা দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে জেল থেকে বের করে আনতে চান। আমরা তাঁদের দুর্বার আন্দোলন দেখার অপেক্ষায় আছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবার আওয়ামী লীগের কোনো পদে থাকবেন কি না, এ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, কমিটিতে কে থাকবে আর কে থাকবে না, তা নির্ধারণ করার মালিক শেখ হাসিনা।

তবে জয়কে এর আগেও বলা হয়েছিল, কিন্তু তিনি কমিটিতে থাকতে রাজি হননি। পীরগঞ্জে মনোনয়ন দেয়ার কথাও বলা হয়েছিল। তাতেও তিনি অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন। শেখ হাসিনা নিজেই বলেছেন, জয় কোনোটাতেই আগ্রহী নন। যে অবস্থায় কাজ করছেন, সে অবস্থাতেই থাকতে চান জয়।

এমএআই


আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

সব খবর