মৃত্যু ঝুঁকিতে ইয়েমেনের ২ মিলিয়ন মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |   ০৯:০১, নভেম্বর ১৭, ২০১৯

প্রতি শনিবার প্রতিবেশিদের সাথে নিয়ে বাঁচার জন্য লড়াই করতে যান আসেম আলী। তাদের দাবি, হুথিদের গুলিতে আমরা না মরলেও রোগের কারণে মারা যাব।

উল্লেখ্য ২০১৫ সালে সৌদি ও আমিরাতের যৌথ উদ্যোগে পশ্চিমা এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য ক্ষমতাচ্যুত সরকারের পুনরায় ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে হামলা চালানো হয়। তাদের পাল্টা জবাব দিতে বিদ্রোহী হুথিরাও পাল্টা আক্রমণ চালায়। ফলে দেশে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে।

ভেঙ্গে গেছে দেশের ভারসাম্য, নষ্ট হয়েছে বিপুল পরিমাণ ভৌত স্থাপনাও। ৩৩ বছর বয়সী আলী মিডল ইস্ট আইকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, আমরা ২০১৫ সাল থেকে এখনো পর্যন্ত অবরোধের মধ্যেই আছি। আমাদের গর্ভর্নর কর আদায় করে অর্থ পাচারে ব্যস্ত। অথচ তাইজ নামে যে একটি শহর আছে সে কথা কারোরই মনে নেই। উল্লেখ্য তাইজ ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর। এখানকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সরকারের মনযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করে আসলেও কোন সাড়া পায়নি।

তিনি আরো বলেন, একজন বাস চালক হিসেবে তাকে প্রতিদিনই রাস্তায় বের হতে হয়। প্রায় প্রতিদিনই তিনি কোন না কোন মৃত্যুর সাক্ষী থাকেন। কেউ গোলার আঘাত অন্যথায় কেউ অসুস্থতায় ভুগে।

এই শহরে পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই, বিদ্যুৎ নেই। সামরিক বাহিনীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, এখানকার স্কুলগুলো সামরিক বাহিনী দখল করে নিয়েছে। ফলে হাজার হাজার শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, এ দেশের সরকার সানা ও আদেনের জন্য চুক্তি করতে ব্যস্থ অথচ তাইজের জন্য কোন চুক্তি নেই। শহরের স্থানীয় প্রতিনিধিরা সরকারি আয়ের ঝুঁকি নিয়েছেন কিন্তু সরকারি সেবা দেবার কথা চিন্তাও করেন না।

তাই প্রতি শনিবার তারা সরকারের কাছে এই আকুতি জানাতেই সমবেত হন। সরকার যেন তাইজ শহরে পানি, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার মতো মৌলিক পরিসেবা চালু করেন।

মিডলইস্ট আই

এসএ


আরও পড়ুন