উচ্ছ্বসিত ফেরদৌস

প্রিন্ট সংস্করণ॥বিনোদন প্রতিবেদক   |   ০১:৩৭, ডিসেম্বর ০৩, ২০১৯

‘হঠাৎ বৃষ্টি’ সিনেমাতে অনবদ্য অভিনয় করে আজ থেকে দুই দশক আগেই প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস।

পরবর্তীতে আরো তিনটি সিনেমাতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি। ২০১৮ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার আবারো পেলেন ফেরদৌস আহমেদ।

আগামী ৮ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে তিনি এই সম্মাননা গ্রহণ করবেন। তার সমসাময়িক কোনো নায়কই পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাননি। পঞ্চমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে গর্বিত ফেরদৌস।

সাইফুল ইসলাম মান্নু পরিচালিত অটিজমের উপর নির্মিত এই সিনেমাতে অভিনয়ের জন্য ফেরদৌস পঞ্চমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন।

ভীষণ উচ্ছ্বসিত ফেরদৌস বলেন, ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার একজন শিল্পীর জন্য সর্বোচ্চ স্বীকৃতি। সর্বোচ্চ এই স্বীকৃতি বারবার পাওয়া একজন শিল্পীর জন্য অবশ্যই সৌভাগ্যের এবং গর্বের ব্যাপার।

আগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলে আমার বেশি খুশি হতেন। আর এখন আমার দুই মেয়ে নূজহাত ও নামিরা সবচেয়ে বেশি খুশি হয়। আমার এবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্তিতে আমার দুই মেয়ের যে আনন্দ সেটাই আমাকে বাবা হিসেবে গর্বিত করেছে।

ধন্যবাদ ‘পুত্র’র পুরো টিমকে অটিজম বিষয়টিকে উপজীব্য করে সিনেমাটি নির্মাণ করে তা দর্শকের সামনে তুলে ধরা। আমি সবসময়ই সমাজ সচেতনতামূলক চলচ্চিত্রে কাজ করে এসেছি।

দেখা যাচ্ছে যে, আমি যতগুলো সিনেমার জন্য পুরস্কার পেয়েছি, সবগুলোই কোনো না কোনোভাবে সমাজ সচেতনতামূলক চলচ্চিত্র। আমি কখনোই জুটি প্রথায় বা নাম্বার ওয়ান হতে হবে এই রীতিতে বিশ্বাসী ছিলাম না।

সবসময়ই আমি দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজে লাগে এমন সিনেমা করেছি। তবে কিছু তো বিনোদনমূলক ছিলোই। আগামীতে আরো পুরস্কার চাই এটা সত্যিই।

তবে পুরস্কারের চেয়ে দর্শকের ভালোবাসাটাই আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তাদের কারণেই আমি আজকের ফেরদৌস। তো সেই ভালোবাসাটাই চাই সারাজীবন।’

দেশে সিনেমা হল কমে যাওয়ার কারণে সিনেমা নির্মাণও এখন অনেক কমে গেছে। সংখ্যাগত দিক দিয়ে হিসাব করলে ফেরদৌসের হাতে সিনেমা কম।

কিন্তু মানসম্পন্ন সিনেমা যেটাকে আমরা ভালো সিনেমা হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকি, সেই সিনেমাই করছেন ফেরদৌস এখন। এরই মধ্যে ‘গাঙচিল’ ও ‘জ্যাম’ সিনেমার কাজ ৭০ ভাগ করে শেষ করেছেন তিনি। দুটোতেই তার বিপরীতে আছেন পূর্ণিমা।

এসটিএমএ


আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

সব খবর