বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে পুতুলের গান

প্রিন্ট সংস্করণ॥বিনোদন প্রতিবেদক   |   ০১:১১, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯

শ্রোতাপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও নন্দিত উপস্থাপক পুতুলকে আগামী বিজয় দিবসে বাংলাদেশ টেলিভিশনের দুটি অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করতে দেখা যাবে। এরই মধ্যে গতকাল পুতুল তিমির নন্দীর উপস্থাপনায় ‘হূদি কল্লোল’ অনুষ্ঠানে দুটি দেশাত্ববোধক গানের রেকর্ডিংয়ে অংশ নিয়েছেন।

গান দুটির একটি হচ্ছে বিপুল ভট্টাচার্য্যের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রর ‘এই না বাংলাদেশের গান’ এবং অন্যটি মৌসুমী ভৌমিকের ‘যশোহর রোড’। আগামী বিজয় দিবসে বিটিভিতে প্রচার হবে।


আবার আগামীকাল পুতুল মাহবুবা ফেরদৌসের প্রযোজনায় বিজয় দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানের দেশাত্ববোধক গানের রেকর্ডিংয়ে অংশ নেবেন। এই গানও বিজয় দিবসে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচার হবে।

পুতুল বলেন, ‘আমার সৌভাগ্য যে নানানভাবে বেশ কটি দেশের মৌলিক গান আমার করা হয়েছে। যে গানগুলোর জন্য আমি সবসময়ই বেশ ভালো সাড়া পেয়ে থাকি। দেশের গান গাওয়ার মধ্যে এক অন্যরকম তৃপ্তি কাজ করে। এখন পর্যন্ত আমি আট থেকে ১০টি দেশের গান গেয়েছি। এটা আমার জন্য সত্যিই এক অন্যরকম ভালোলাগা। গানগুলোর সাথে যারা সম্পৃক্ত তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।’

লুৎফর হাসানের লেখা ও সুর করা দেশাত্ববোধক গান ‘ও আমার শাপলা ফোটা ঝিলের জলের ঢেউ’ গানটির জন্য যেমন প্রতিনিয়ত সাড়া পান পুতুল ঠিক তেমনি মোহাম্মদ রফিক উজ জামানের লেখা ও অনুপ ভট্টাচার্য্যের সুরে ‘বিজয় মানেতো জনতার কাছে আসা’ গানটির জন্যও বেশ সাড়া পান পুতুল।

এদিকে এরই মধ্যে ইউটিউব প্রকাশিত হয়েছে রাজন সাহার সুরে ও মাহতাব হোসেনের লেখা ‘চোখের কোণে জল’ গানটি। আগামী ১২ ডিসেম্বর জামাল হোসেনের লেখা ও হূদয় হাসিনের সুরে ‘হতাম যদি আমি একটা নদী’ গানটির মিউজিক ভিডিওর শুটিং সম্পন্ন হবে।

গান পুতুলের পেশা আর লেখালেখি পুতুলের নেশা। যে কারণে আগামী বইমেলায় যথারীতি তার নতুন উপন্যাস আসছে। তবে উপন্যাসের নামকরণ করা হয়নি এখনো। তবে এই সময়ে পুতুলকে উপস্থাপনায় দেখা যাচ্ছে না বললেই চলে।

পুতুল বলেন, ‘সঙ্গীত বিষয়ক অনুষ্ঠানগুলোতে যদি নতুনত্ব আসে কিংবা চ্যানেলেগুলো যদি নতুন আঙ্গিকে কিছু করার চিন্তা করে তাহলেই হয়তো উপস্থপনাতে আবার নিয়মিত হবো।’ এরই মধ্যে পুতুল কণা চৌধুরীর লেখা নতুন দুটি গান ‘ঝুম বৃষ্টিতে’ ও ‘কফির চুমুকে’তে কণ্ঠ দিয়েছেন।

এসটিএমএ


আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

সব খবর