ইবিতে মানবাধিকার দিবস পালন

মাহমুদুল হাসান কবীর, ইবি   |   ০৪:৫৫, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯

আইন অনুষদের আয়োজনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মত (ইবি) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস-২০১৯ পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) “মানবাধিকার সুরক্ষায় তারুন্যের অভিযাত্রা” প্রতিপাদ্য নিয়ে মীর মশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবন থেকে এক র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব’ এ আলোচনায় সভায় সমবেত হয়।


আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন কোষাধ্যক্ষ ও ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা, আইন অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রেবা মন্ডল, অধ্যাপক ড. শাহজাহান মন্ডল, আরমিন খাতুন, আল-ফিকহ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আমজাদ হোসেন, ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রভাষক মেহেদী হাসান। এছাড়াও আইন অনুষদভুক্ত আইন, আল-ফিকহ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ ও ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা বলেন, “অধিকারের কোনো জাত, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র বা কোন ভৌগলিক সীমারেখা নেই। সকলের জন্যই সমভাবে প্রযোজ্য সেটিকেই বলে মানবাধিকার। শুধু তাই নয় সম্মান এবং মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার নামও মানবাধিকার।

একটি জাতি কখন ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় যখন একজন বা দুইজন মানুষ মানুষের অধিকার লঙ্ঘন করে, মানুষকে অত্যাচার করে, মানুষকে ব্যথা দেয়, মানুষকে নিপীড়ন করে আর সকল যে মানুষ সেটিকে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে এবং জেনেও না জানার ভান করে , সেটির জন্য যখন প্রতিবাদমুখর না হয় তখন সে জাতির জন্য ভয়াবহ কালো মেঘ নেমে আসে।

তিনি আরো বলেন, এবারের দিবস যুবক সমাজের জন্য যে তাৎপর্য নিয়ে এসেছে কার মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা মানবাধিকার সম্পর্কে সচেতন হবেন এবং তারা অধিকার সচেতন হবেন এবং এই রাষ্ট্রের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তারা তাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি মনোযোগী হবে তাহলে এদেশের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভবপর হবে ।

এরই মাধ্যমে দিবসটির তাৎপর্য অর্থবহ হবে। আমরা আশাবাদ ব্যক্ত করি নিশ্চয়ই বাংলাদেশ একদিন মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রে পরিণত হবে। ”

এমআর


আরও পড়ুন