শেকৃবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১৩

শেকৃবি প্রতিনিধি   |   ০৫:১০, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯

ভর্তি হতে আসা নবীন শিক্ষার্থীকে নিজ দলে ভিড়ানোকে কেন্দ্র করে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকা ও কুমিল্লা দুই আঞ্চলিক গ্রুপের কয়েক দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুই গ্রুপের অন্তত ১৩জন আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় সংবাদ সংগ্রহকালে এক সাংবাদিক লাঞ্ছিত হয়েছে।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ১১টার দিকে ভর্তি হতে আসা এক নবীন শিক্ষার্থীকে নিয়ে দুই গ্রুপ টানাটানি শুরু করে। এরপর হাতাহাতি এবং ধাওয়া-পাল্টা হয়।

কুমিল্লা গ্রুপের দাবি, এসময় তাদের অনুসারী ইয়াছিন, বাপ্পি, তানভির, ফাহিম মুতাছির আহত হয়। এছাড়া ক্যাম্পাসে ঘুরতে আসা লাদেন দস্তগীর নামে একজন গুরুতর আহত হলে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের সামনে পুনরায় কুমিল্লা ও ঢাকা গ্রুপ রড, গ্যাস পাইপ নিয়ে সংঘর্ষ জড়ায়। হলের সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করা হয়। এসময় পেপার স্প্রে করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে কুমিল্লা গ্রুপের ২০১৯ শিক্ষাবর্ষের আরিফুল ইসলাম, ২০১৮ শিক্ষাবর্ষের ফরহাদ, জয় শাহা এবং ঢাকা গ্রুপের ২০১৭ শিক্ষাবর্ষের মিজানুর রহমান বুলবুল, ২০১৯ শিক্ষাবর্ষের সৌমিক দাস প্রান্ত, সারোয়ার গুরুতর আহত হয়েছে।

এরা সবাই সংবাদ লেখা পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন আছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ঢাকা গ্রুপের নিলয়, অনিক আহত হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ।

এদিকে দুপুর ১২টার দিকে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামের পিছনে লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে উত্তর ও ময়মনসিংহ গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিক ওলী আহম্মেদ সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে তাকে লাঞ্ছিত করে মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়।

সাংবাদিক লাঞ্ছনার ঘটনায় বিচার দাবি করে প্রশাসন বরাবর প্রতিবাদলিপি দিয়েছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. ফরহাদ হোসেন জানান, এ পর্যন্ত আমাদের কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ আসে নি। আমরা তদন্ত কমিটি গঠন সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

কেএস


আরও পড়ুন