বেরোবিতে বিজয় দিবস উপলক্ষে লাল সবুজের মহোৎসব

নাহিদুজ্জামান নাহিদ, বেরোবি   |   ০৫:১৯, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ৪৯ তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে লাল সবুজের মহোৎসব পালন করেছে বেরোবি শিক্ষকদের সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদ। এ মহোৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং একাডেমিক বিল্ডিংয়ের সামনে থেকে বিজয় র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রংপুর নগরীর মডার্ণ মোড় প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের শেখ রাসেল মিডিয়া চত্তরে এসে শেষ হয়।


এরপর সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে মহোৎসব শেষ হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি কমলেশ চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক মশিয়ার রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডল প্রমুখ।

মশিয়ার রহমান বলেন, স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরেও স্বাধীনতা বিরোধীরা সোচ্ছার হয়ে আছে সব জায়গায়। তারা বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত রেখে যাওয়া কাজকে সম্পন্ন করতে বাধা প্রদান করছে। এমনকি এ বিশ্ববিদ্যালয়েও কাজ করতে বাধা দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধরু প্রতিকৃতি নির্মাণসহ ১১ দফা দাবিতে স্বারকলিপি দিয়েছিলাম আড়াই বছর আগে তার একটিও বাস্তবায়ন করেনি বর্তমান এই উপাচার্য। আমরা বঙ্গবন্ধু পরিষদ কথা দিলাম এ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সহ বেগম রোকেয়ার প্রতিকৃতি স্থাপন করবো। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যে বাংলাদেশ এসেছে আমরা চাই না তা এ ক্যাম্পাসে পদদলিত হোক।

এরপর বঙ্গবন্ধু পরিষদের পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার কর্ণেল আবু হেনা মোস্তাফা কামাল বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

দাবিগুলো হলো- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকাস্থ্য লিয়াজো অফিস বন্ধ করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট, সিন্ডিকেট, অর্থকমিটির সভা, নিয়োগ বোর্ড, পদোন্নতি বোর্ড সহ সকল সভা-সেমিনার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা আনতে হবে এবং ইউজিসি কর্তৃক অনুমোদিত ফাউন্ডেশন ট্রেনিং বন্ধ করতে হবে।

ক্যাম্পাসে রাষ্ট্রয়ত্ব ব্যাংক এর শাখা স্থাপন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রকার আর্থিক লেনদেন পরিচালিত করতে হবে। ৩১তম সিন্ডিকেট সভার সিন্ধান্ত মোতাবেক রসায়ন বিভাগের প্রভাষক জাকির হোসেনের সকল সমস্যা সমাধান করতে হবে।

লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডলসহ যারা উচ্চতর ডিগ্রির জন্য আবেদন করেছেন তাদের ছুটিসহ প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করতে হবে এবং শিক্ষাছুটি বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। আইন অমান্য করে উপাচার্য নিজে যে সব পদের দায়িত্ব আকড়ে ধরে আছেন সেসব পদে বিধি মোতাবেক নিয়োগ দিতে হবে।

এমআর


আরও পড়ুন