বিয়ের দাবিতে পুলিশের বাড়িতে কলেজছাত্রী

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   |   ১০:৪২, জানুয়ারি ১২, ২০২০

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক পুলিশ সদস্য বুলবুল আহাম্মেদ বাদলের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে কলেজ ছাত্রী লিজা। সে উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের সরিষাজানী গ্রামের লুৎফর রহমানের মেয়ে।

শনিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রেমিক পুলিশ সদস্য বাদল মোবাইল ফোনে লিজাকে বাড়ি থেকে বের হয়ে চলে আসতে বলে। প্রেমিকের আহ্বানে সাড়া দেয় লিজা। বাড়ি থেকে নগদ কিছু টাকা নিয়ে চলে যায় প্রেমিক পুরুষ পাইশানা গ্রামের কুদরত হাজীর ছেলে বুলবুল আহাম্মেদ বাদলের হাত ধরে।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদিজা আক্তার লিজা বলেন, গত ২ বছর আগে মুঠোফোনের রং নাম্বর থেকেই পুলিশ সদস্য বুলবুল আহাম্মেদ বাদলের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

শুরুতেই নিজেকে পুলিশের এসআই পরিচয় দেয়। মিথ্যে দিয়ে সম্পর্ক শুরু হলেও লিজা পরে জানতে পারে সে বাংলাদেশ পুলিশের একজন সদস্য। তবু মিথ্যেটা মেনে নিয়ে বিয়ের আশ্বাসে ঘর ছাড়ে লিজা। তার সাথে ঘর বাধার স্বপ্ন দেখে। কারণ সত্যিটা জানতে বেশ সময় লেগে গেছে।

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বেশ কয়েকবার তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে চতুর এই পুলিশ সদস্য। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি বিয়ের প্রস্তাব আসলেও তা প্রত্যাক্ষান করতে বলে প্রেমিক বাদল।

তিনি আরও বলেন, বাদল যদি আমাকে বিয়ে না করে, তবে আমার আত্মহত্যা করা ছাড়া কোনো পথ নেই। সকল প্ররতারণার পরও আমি তাকে ভালবাসি এবং তার সাথেই সংসার করতে চাই।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বাদলের পরিবার মানতে পারেনি তাদের এ সম্পর্ক। বাদলের মা ও তার ভাই মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চাইলে এলাকাবাসী বিষয়টি সমঝোতার চেষ্টা করে।

এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে পুলিশ সদস্য বুলবুল আহাম্মেদ বাদলের সাথে কথা বলতে বেশ কয়েকবার মুঠোফোনে ফোন করার পর তাকে পাওয়া গেলেও তিনি খাদিজা আক্তার লিজার বিষয়ে পরে কথা বলবেন বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত খাদিজা আক্তার লিজা ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে নাগরপুর থানায় প্রেমিক বাদলসহ পরিবারের অন্যান্য ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছিলো।

আমারসংবাদ/এমআর


আরও পড়ুন

সর্বশেষ সংবাদ

সব খবর