শিরোনাম

মরিচের দামে খুশি ঠাকুরগাঁঁওয়ের কৃষক

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি   |  ০৫:৩৯, আগস্ট ১৮, ২০১৯

কাঙ্ক্ষিত ফলন আর বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় মরিচ চাষে লাভবান হচ্ছেন ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষক। এবার ধান বিক্রি করে লোকশান গুনলেও মরিচ বিকরি করে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছেন তারা।

তবে জেলার সর্ববৃহৎ মরিচ কেনা বেচার হাট রায়পুরে টাকা লেনদেনে কোনো ব্যাংক না থাকায় শঙ্কিত ব্যবসায়ীরা। দুষ্কৃতকারীদের কবলে পরে প্রতি বছর টাকা খোয়া যাচ্ছে তাদের।

এসব সমস্যা স্বীকার করে উপজেলা প্রশাসন বলছে, এ দুর্ভোগ লাঘবে শিগগিরই রায়পুর হাটে বাণিজ্যিক ব্যাংক স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। চলতি মৌসুমে বোরো ধান আবাদ করে লোকসানে পড়ে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষক।

ফলন ভালো পেলেও ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ উঠেনি তাদের। এমন পরিস্থিতিতে মরিচ বিক্রি করে সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছেন কৃষক। সদর উপজেলা বেগুনবাড়ি গ্রামের কৃষক আবদুল হালিম জানান, ক্ষেত থেকে মরিচ তুলে তা শুকিয়ে বিক্রি করছেন।

বাজারে এখন প্রতি মণ শুকনা মরিচ বিক্রি হচ্ছে চার হাজার ৮০০ থেকে পাঁচ হাজার ২০০ টাকা দরে। মণ প্রতি মরিচ বিক্রি করে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত লাভবান হচ্ছেন তারা। একই কথা জানান, রফিকুল, জব্বার, আফসার আলীসহ একাধিক কৃষক।

তারা জানান, ধানের লোকসান কিছুটা হলেও মরিচ চাষ করে লাঘব হবে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক আফতাব হোসেন জানান, আবহাওয়া অনুকূল ও কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়ায় কৃষক খুশি। উন্নত জাতের মরিচ চাষে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের।

মরিচ লাভজনক ফসল হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে জেলায়। মরিচ চাষ কেন্দ্র করে রায়পুরে গড়ে উঠেছে কেনাবেচার হাট। প্রতি মাসে ১৫ কোটি টাকার শুকনা মরিচ কেনা বেচা হয় এই হাটে।

স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এখানকার মরিচ যাচ্ছে ঢাকা, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ, সিলেট, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

রায়পুর বাজারে মরিচ কিনতে আসা হামিদুল হালদার, আশরাফুল রেদওয়ানসহ একাধিক ব্যবসায়ী জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত আর অর্থ লেনদেনে কোনো ব্যাংক না থাকায় তারা আতঙ্কিত। আড়ৎ থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে গিয়ে ব্যাংকিং করতে হয় তাদের।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত