শিরোনাম

মিরসরাইয়ে মাল্টা চাষে সাফল্য

প্রিন্ট সংস্করণ॥সুজন মণ্ডল, মিরসরাই  |  ০১:৫২, সেপ্টেম্বর ০৩, ২০১৯

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বারি-১ জাতের মাল্টা চাষ করে সাফল্যের মুখ দেখছেন মো. আজম। প্রথম বছর মাল্টার ফলন কিছুটা কম হলেও চলতি বছর ফলন হয়েছে খুব ভালো।

তবে চলতি বছর খরচ মিটিয়ে লাভের পরিমান খুব বেশি না হলেও আগামী বছর থেকে তিনি প্রচুর লাভের আশা করছে তিনি। মো. আজম উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের পূর্ব বড় কমলদহ গ্রামের চাঁন মিয়া চৌধুরী বাড়ির মৃত জালাল আহম্মদের ছেলে।

সরেজমিন গোলাম মো. আজমের মাল্টা বাগানে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি গাছেই উল্লেখযোগ্য হারে মাল্টা ধরেছে। বাগানের পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত আজমসহ আরো দুইজন শ্রমিক। বাগানের চারিদিকে কাঁটাতার দিয়ে ঘেরা।

বাগানের পাশেই আজমের বাড়িতে সেচের জন্য বসানো হয়েছে গভীর নলকূপ। মাল্টা চাষ সম্পর্কে মো. আজম জানান, তিনি একসময় ঠিকাদারি করতেন পরে মাল্টা চাষে ঝুকে পড়েন।

২০১৬ সালের ২৭ জুলাই উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় ৪২ শতক জমিতে ১০০টি চারা দিয়ে তিনি মাল্টা চাষ শুরু করেন। প্রতিটি চারা রোপণে একটি গর্তে ৫০০ গ্রাম চুন, ২৫০ গ্রাম টিএসপি, ২৫০ গ্রাম এমওপি, ২০০ গ্রাম জিমসান, ১০০ গ্রাম জিঙ্ক ও ৪০ কেজি করে জৈব সার দেয়া হয়। এ ছাড়া প্রতি বছর বর্ষার আগে ও শেষে টিএসপি, এমওপি ও বোরন সার দিতে হয়।

চার মিটার দূরত্বে প্রতিটি চারা রোপণ করা হয়। উপজেলা কৃষি অফিস চারা ও সার বিনামূলে দিয়েছেন। মাল্টা রোপণের এক বছর পর থেকে ফলন শুরু হয়।

তবে তার বাগানে প্রথম বার কম ফলন হলেও চলতি বছর প্রচুর ফলন হয়েছে। তিনি আরো জানান, বারি-১ জাতের মাল্টা খুব সুস্বাদু। প্রতিটি গ্রাছে ৪০০-৫০০ কেজি পর্যন্ত ফলন হয়।

বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের মধ্যে মাল্টা পাকতে শুরু করে। এই বিষয়ে মিরসরাই কৃষি অফিস ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বলেন, সাইট টার্স প্রকল্পের আওতায় কৃষক আজমকে বিনামূলে মাল্টা চারা ও সার দেয়া হয়।

যাতে করে অন্য কৃষকরাও মাল্টা চাষে উৎসাহিত হয়। মূলত বেলে-দোআশ মাটিতে মাল্টার ফলন ভালো হয়। দেশে উদ্ভাবিত বারি-১ জাতের মাল্টা খুব মিষ্টি ও সুস্বাধু।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত