সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

১৩ আশ্বিন ১৪২৭

ই-পেপার

ডামুড্যা (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি

আগস্ট ০৫,২০২০, ১২:৪৭

আগস্ট ০৫,২০২০, ১২:৪৭

বন্যার পানি কমছে, দুর্ভোগ আর কমে নাই

বন্যার পানি কিছুটা কমলেও শরীয়তপুর জেলায় এখনো দুর্ভোগ কমেনি বন্যা কবলিত মানুষের। প্রচণ্ড স্রোতের কারণে বেশিরভাগ নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। তবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধে কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

জানা গেছে, ইতোমধ্যে নড়িয়া উপজেলার চরআত্রা ইউনিয়নের দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ভাঙনের ফলে অন্তত ৮০টি বাড়িঘর সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দিশেহারা হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে জেলার বন্যায় ভাঙন কবলিত মানুষ। ঈদের আনন্দ তো দূরের কথা, একবেলা খাবার জুটলেও পরের বেলায় খাবার জুটছে না তাদের। অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটছে বন্যা কবলিত মানুষদের।

তারা বলছেন, আমাদের এই দুর্ভোগ রয়েই যাবে, বন্যার পানি কমলেও। এ দুঃসময়ে আমাদের দু’বেলা খেতে কষ্ট হয়। পরে আর কি হবে?

সরকারি ত্রাণ-সামগ্রী দিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারে অপ্রতুল। শরীয়তপুর জেলায় এখনো পানিবন্দী রয়েছে কয়েক লাখ মানুষ।

জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা আহসান হাবীব জানান, শরীয়তপুরে পদ্মা নদীর পানি বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেই সাথে নদীতে বেড়েছে পানির স্রোত। এখনো ৪ উপজেলার ৪০টি ইউনিয়নের প্রায় ২ লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দী।

পদ্মা নদীর পানি কিছুটা কমলেও প্লাবিত এলাকাগুলোর পানি তেমন কমেনি। পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বানভাসি মানুষ। ইতোমধ্যে চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে। জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধের কার্যক্রম অব্যাহত আছে বলেও জানান তিনি।

আমারসংবাদ/কেএস