মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২০

৪ কার্তিক ১৪২৭

ই-পেপার

রাইসুল ইসলাম লিটন, টাঙ্গাইল

অক্টোবর ০৬,২০২০, ০৪:৫৫

অক্টোবর ০৬,২০২০, ০৪:৫৫

টাঙ্গাইলে সাবেক চেয়াম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধানে দুদক

৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও থানা আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত সভাপতি এডভোকেট খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় অনুসন্ধানে নেমেছে টাঙ্গাইল জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ সহকারী পরিচালক রাজু মো. সারওয়ার হোসেন। তিনি পৌরসভার বেড়াডোমা এলাকার মৃত ইব্রাহিম তালুকদারের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১৯ ও দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ২০ মতে দুর্নীতি দমন কমিশনের ঢাকা কার্য্যালয়ের স্মারক নং ০০.০১.৯৩০০.৬১৫.২৬.০০৩.১৮-১০২৬৬, তারিখঃ ১৮/০৩/২০১৯ ও দুর্নীতি দমন কমিশন টাঙ্গাইল জেলা সমন্বিত কার্য্যালয় স্মারক নং ০০.০১.৯৩০০.৬১৫.০১.০৫.১৯./৪২৪ তারিখঃ ০৭/০৪/২০১৯ এবং টাঙ্গাইল জেলা সমন্বিত কার্য্যালয় ই/আর নং ০৫/২০১৯, তারিখঃ ০৪/০৪/২০১৯ইং অভিযোগে অনুসন্ধানে নামে দুদক।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, আওয়ামীলীগ নেতা এডভোকেট খোরশেদ আলম টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের বরাদ্দকৃত প্রকল্পের ৫ কোটি টাকা প্রদান না করে তা আত্মসাৎ করে পৌরসভার বেড়াডোমা (পুরাতন পানির ট্যাঙ্কি সংলগ্ন) এলাকায় ৫ তলা বিশিষ্ট একটি ইমারত নির্মাণ করেন। অথচ খোরশেদ আলম উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালীন বিগত ৫ বছরে মাসিক সম্মানি, বাড়ী ভাড়া ও ভ্রমণ ভাতা সহ মোট ২৭ লাখ ১৪ হাজার ৬’শ ৪০ টাকা পান। প্রশ্ন ওঠেছে বিগত ৫ বৎসরে তার আয়ের সাথে অর্জিত সম্পদের ৫ তলা বিলাস বহুল ভবন তৈরীর কোন মিল না থাকায় দুদক এ অনুসন্ধানে মাঠে কাজ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

বিষয়টি নিয়ে টাঙ্গাইল জেলা দুদক সমন্বিত কার্য্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানী কর্মকর্তা রাজু মো. সারওয়ার হোসেন গত সেপ্টেম্বরে ৬ তারিখে স্বাক্ষরিত স্মারক নং ০০.০১.৯৩০০.৬১৫.০১.০৫.১৯/৯১১ এ বর্তমান সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খোরশেদ আলমের বিগত ৫ বছরের যাবতীয় ভাতার টাকার হিসাব চেয়ে ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তথ্য চেয়ে একটি চিঠি প্রেরন করলে উপজেলা পরিষদ যাবতীয় তথ্য তাদের নিকট প্রেরণ করেন।

এ ব্যাপারে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম জানান, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।

আমারসংবাদ/এমআর