শিরোনাম

‘স্ট্রং একটি চরিত্র ছিলো আমার’

প্রিন্ট সংস্করণ  |  ০৬:২৪, সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯

‘মায়াবতী’ শিরোনামের নতুন একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। অরুণ চৌধুরী পরিচালিত এ সিনেমাটি সারাদেশের মুক্তি পাবে ১৩ সেপ্টেম্বর।

সিনেমায় ইয়াশ রোহানের বিপরীতে দেখা যাবে তিশাকে। ‘মায়াবতী’ সিনেমার বিভিন্ন বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন আল কাছির

ছবিটি প্রসঙ্গে—
নাটক, সিনেমা, টেলিফিল্ম বা ওয়েব সিরিজ যেটাই করতে যাই না কেন, প্রথমে আমি গল্প দেখি। ‘মায়াবতী’ ছবির গল্প শুনে আমার কাছে ভালো লেগেছে। তারপর সিদ্ধান্ত নিয়েছি এ সিনেমাটি আমি করব। গল্পের সঙ্গে সিনেমায় আমার চরিত্রটি অবশ্যই ভালো। তা না হলে আমি ‘হ্যাঁ’ বলতাম না। এ চরিত্রটি দেখলে অনেক মেয়ে তার সঙ্গে রিলেট করতে পারবে। অনেক মেয়ে তাকে খুঁজে পাবে। কেউ কেউ ভাববে, আমার জীবনেও এরকম সময় আসতে পারে বা এসেছে। কিন্তু আমি প্রতিবাদ করিনি। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ‘মায়াবতী’ সিনেমায় দর্শকের জন্য একটি বার্তা আছে। এ বার্তাটিই আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে অনেক বেশি।

আপনার চরিত্রটি প্রসঙ্গে—
‘মায়াবতী’ সিনেমার টিজার, ট্রেলার, গান দেখে অনেকেই আমার চরিত্র সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা পেয়েছেন। অনেকের কাছে মনে হতে পারে খুবই সিম্পল একটি চরিত্র। কিন্তু এ চরিত্রের জন্য আমাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। আসলে অনেক স্ট্রং একটি চরিত্র ছিলো আমার। বাকিটা দর্শক পর্দায় দেখলেই বুঝতে পারবেন।

আপনার প্রস্তুতি কেমন ছিলো?
এ চরিত্রে আমার প্রস্তুতি নেয়ার পিছনে সবার অবদান আছে। এ ক্রেডিট শুধু আমার একার না। আমি পরিচালক, সহশিল্পী, সহকারী পরিচালক থেকে শুরু করে টিমের সবাই এবং আমি যে পরিবেশে কাজ করেছি সেখানকার সবাই আমাকে খুব সহযোগিতা করেছে। দৌলতদিয়ার সেসব মানুষদের আমি বিশেষ করে ধন্যবাদ দিতে চাই এতদিন ধরে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য।

দর্শক কেন ‘মায়াবতী’ দেখবে?
একটি সুন্দর গল্প দেখতে যাবে। যে গল্পে গান আছে, নাচ আছে, ভালোবাসা-কষ্ট আছে, বিভিন্ন মুহূর্ত আছে। সব কিছু মিলে এটি একটি সম্পূর্ণ প্যাকেজ। আমি আশা করি সিনেমা হলে গিয়ে এ ছবিটি দেখলে দর্শকের ভালো লাগবে। দর্শক হাসবে, কাঁদবে আবার মাঝে মাঝে ভালোবাসবে। আশা করব দর্শক পরিবারসহ সিনেমা হলে গিয়ে ‘মায়াবতী’ দেখবে।

দৌলতদিয়ায় শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা—
আলাদা করে কোনো অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারব না। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যতক্ষণ শুটিং করেছি, ওদের সঙ্গে কথা বলেছি সবসময় নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে। নতুন চিন্তা আমার মাথায় ঢুকেছে। এগুলো নিয়ে হয়তো কোনো একসময় বইও লিখতে পারি। কারণ এটি বই লেখার মতোই একটি ভালো বিষয়।

ইয়াশ রোহান প্রসঙ্গে—
সহশিল্পী হিসেবে ইয়াশ খবুই ভালো। একজন মানুষ একা ভালো অভিনয় করতে পারে না। এটি তো টিম ওয়ার্ক। নাটক, সিনেমা যাই করি না কেন, আমার সহশিল্পী ভালোভাবে ডায়লগ দিলে, রিঅ্যাকশন দিতে আমিও ভালোভাবে দিতে পারব। ইয়াশসহ অনেক গুণী অভিনেতা আমাদের এ সিনেমায় ছিলেন। সবার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা আমার বেশ ভালো। ইয়াশে সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে মজার কিছু বিষয় শিখেছি। কোনো দৃশ্য করার আগে ইয়াশের সঙ্গে যে আলাপ করতাম তা থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। কারণ ও অনেক ফ্রেশ, ফ্রেশ মাইন্ড থেকে ফ্রেশ চিন্তা আছে। এই ফ্রেশ চিন্তা আমাকে অনেক উদ্বুদ্ধ করেছে।

পাঠকের উদ্দেশ্য—
পাঠক এবং দর্শকের উদ্দেশ্য বলব, আপনার হলে গিয়ে সিনেমা দেখবে। বাংলা সিনেমাকে এপ্রিসিয়েট করবেন, প্রোমোট করবেন। আপনার এপ্রিসিয়েশন আমাদেরকে ভবিষ্যতে সিনেমা করতে বাধ্য করতে। সত্যিকারের ভালো সিনেমা আমরা আপনাদের উপহার দিতে পারব। সবাই পরিবার নিয়ে ‘মায়াবতী’ সিনেমাটি দেখতে আসবেন আপনার পাশে প্রেক্ষাগৃহে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত