শিরোনাম

পরিত্যক্ত ট্রেনের বগিতে যেভাবে খুন হয় মাদরাসাছাত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১০:৫৮, আগস্ট ২৫, ২০১৯

মাদরাসাছাত্রী আসমাকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে অভিযুক্ত মারুফ হোসেন বাঁধন।

প্রেমের ফাঁদে ফেলে পঞ্চগড় থেকে ঢাকায় এনে আসমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে সে।

রেলওয়ে পুলিশ জানায়, বাঁধনকে জিজ্ঞাসাবাদে এসব কথা স্বীকার করেছে বাঁধন নিজেই।

এদিকে, অভিযুক্তকে শনিবার সকালে পঞ্চগড় থেকে ঢাকা রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে তাকে আটকের পর শুক্রবার দুপুরে পঞ্চগড় রেলওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাঁধন এ হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে জানিয়েছে, প্রেমের সূত্র ধরে তারা দুজন গত ১৯ আগস্ট ভোরে ঢাকায় আসে। কমলাপুরে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করে, হোটেলেও খাওয়া-দাওয়া করে। একপর্যায়ে ভালো রুম মেলাতে না পেরে ট্রেনের ভেতরে নিয়ে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে বাঁধন।

ঢাকা রেলওয়ে থানার (কমলাপুর) এসআই আলী আকবর জানান, বাঁধনকে প্রথমে পঞ্চগড় থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে।

শনিবার সকালে বাঁধনকে কমলাপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়।

গত ১৯ আগস্ট সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ওয়াশ ফিল্ড এলাকায় পরিত্যক্ত ট্রেনের বগি থেকে মাদরাসাছাত্রী আসমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসক জানান, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে এবং হত্যার আগে ধর্ষণও করা হয়েছে।

জেডআই

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত