শিরোনাম

রোহিঙ্গাদের এনআইডি : ইসিকর্মীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রাম ব্যুরো  |  ১৩:৪৫, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯

হত্যা ও নির্যাতন থেকে বাঁচতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের জালিয়াতির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাইয়ে দেয়ার ঘটনায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানার নির্বাচনি কর্মকর্তা পল্লবী চাকমা বাদী হয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন ও ডিজিটাল আইনে মামলাটি দায়ের করেছেন।

নির্বাচন কমিশনের চুরি হওয়া লাইসেন্স করা ল্যাপটপ ব্যবহার করে রোহিঙ্গা ভোটার তালিকায় অর্ন্তভুক্তি এবং এনআইডি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগে গত (সোমবার) রাতে তিনজনকে আটক করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা তাদের আটক করে কোতোয়ালী থানা পুলিশের হাতে দেন। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় চুরি হওয়া ল্যাপটটিও। এরপর রাতে কোতোয়ালী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন শুধু নির্বাচন অফিসের কর্মচারী। গত রাতে যে তিনজনকে আটক হয়েছে তাদের মামলায় আসামি করা হয়েছে। বাকি দুজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। এছাড়া আটক তিনজনকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডেরও আবেদন করা হচ্ছে।’

আটক তিনজনের মধ্যে একজন ডবলমুরিং থানা নির্বাচন কার্যালয়ের অফিস সহায়ক মো. জয়নাল আবেদিন (৩০)। বাকি দুজন গাড়িচালক বিজয় দাশ (২৬) ও তার বোন সীমা দাশ ওরফে সুমাইয়া আক্তার (২৩)। বিজয় গাড়িচালক এবং সীমা চট্টগ্রাম সরকারী জেনারেল হাসপাতালে অস্থায়ী ভিত্তিতে আয়া পদে আছেন।

মামলার বাকি দুই আসামি হলেন-সাগর ও সত্যসুন্দর দে। আটক তিনজনসহ পাঁচ আসামি পরস্পরের যোগসাজশে জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বলেন, লাইসেন্সকৃত ল্যাপটপটি ব্যবহার করে ওয়েবক্যাম দিয়ে ছবি তোলাসহ জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় সব কাজই করা যায়। জাতীয় তথ্যভান্ডারে এন্ট্রিও দেয়া যায়। এই ল্যাপটপটি ব্যবহার করেই তারা এনআইডি জালিয়াতি করেছে বলে জানান তিনি।

এমএআই

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত