সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

১৩ আশ্বিন ১৪২৭

ই-পেপার

হিলি প্রতিনিধি

সেপ্টেম্বর ১৬,২০২০, ০৩:১৯

সেপ্টেম্বর ১৬,২০২০, ০৩:২০

পেঁয়াজ আসার খবরে দাম কমল কেজিতে ১০-২০ টাকা

পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। পেঁয়াজ আসার খবরে একদিনের ব্যবধানে হিলির পাইকারি বাজারে দাম কমেছে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা। অপরদিকে পেঁয়াজের মূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।

আগের এলসির বিপরীতে গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) টেন্ডার হওয়া পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিতে পারে ভারত। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হতে পারে বলে বাংলাদেশি আমদানিকারকদের জানিয়েছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। এমন খবর পেয়ে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।
 
গেলো সোমবার অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে হঠাৎ করেই ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে ওইদিন বন্দর দিয়ে কোনও পেঁয়াজ আমদানি হয়নি।

দাম কমার কারণ হিসেবে খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, ভারত থেকে পেঁয়াজ আসছে। সেই জন্য দাম কমেছে। আমরা কম দামে কিনে, কম দামে বিক্রি করছি।

হিলি স্থলবন্দরের আড়তগুলোতে পেঁয়াজ কিনতে আসা খালেক হোসেন বলেন, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে পেঁয়াজের দাম বাড়াতে থাকে, আগের দিন যে পেঁয়াজ আমরা ৩৫ টাকা কেজি দরে কিনে নিয়ে গেছি, পরদিন তা বেড়ে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা হয়ে যায়।

এমনকি পেঁয়াজ বিক্রির কোনও রিসিটও দিচ্ছিলো না। প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টায় যেন পেঁয়াজের দাম বাড়ছিলো। পেঁয়াজ কিনতে এসে বিপাকের মধ্যে পড়ি। আজ আবার পেঁয়াজ কিনতে এসে দেখি দাম কিছুটা কমেছে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশিদ গণমাধ্যমকে জানান, পূর্বের খোলা এলসির ঋণপত্রের বিপরীতে সীমান্তের ওপারে আটকে পড়া প্রায় দুই শতাধিক ট্রাক বোঝাই পেঁয়াজ দেশে আসার অপেক্ষায় আছে।

ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, দিল্লিতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এদিকে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের ৪ লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে। আর এক মাস সময় পেলেই আমরা বিকল্প বাজার থেকে আমাদের প্রয়োজনীয় পেঁয়াজ আনতে পারবো।

আমারসংবাদ/এআই