শিরোনাম

পেঁয়াজের দাম বাড়লো কেজিতে ৪ টাকা

প্রিন্ট সংস্করণ॥অর্থনৈতিক প্রতিবেদক   |  ১২:০০, জুন ১৯, ২০১৯

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে পেঁয়াজ রফতানিতে বিশেষ প্রণোদনা স্কিম তুলে নেয়ায় দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজারে পণ্যটির দাম বাড়তে শুরু করেছিল।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জাতীয় বাজেটে পেঁয়াজ আমদানিতে বাড়তি ৫ শতাংশ শুল্ক।

এসব কারণে বর্তমানে দ্বিতীয় দফায় আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ১৮ টাকায় উঠেছে।

এর মধ্য দিয়ে মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে পণ্যটির দাম কেজিতে নতুন করে ৪ টাকা বেড়েছে।

গতকাল হিলির পাইকারি আড়তগুলোয় ভারতের নাসিক ও ইন্দোর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বেশি বিক্রি হতে দেখা যায়।

বাজারে ভারতীয় সুখসাগর জাতের পেঁয়াজের চাহিদাও রয়েছে।

পাইকারি পর্যায়ে (ট্রাকসেল) আমদানি করা এসব পেঁয়াজ কেজিপ্রতি মানভেদে ১৬-১৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তিনদিন আগেও ১৩-১৪ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সে হিসাবে তিনদিনের ব্যবধানে হিলির পাইকারি বাজারে পণ্যটির দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ৪ টাকা বেড়েছে।

গত সপ্তাহে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এক ঘোষণায় পেঁয়াজের ওপর থেকে ১০ শতাংশ বিশেষ রফতানি প্রণোদনা তুলে নেয়া হয়।

ওই সময় হিলির পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজ ১০-১২ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।

ভারত সরকারের প্রণোদনা তুলে নেয়ার ঘোষণায় পণ্যটির দাম বেড়ে কেজিপ্রতি ১৪ টাকায় ওঠে।

স্থানীয় আমদানিকারকরা জানান, প্রণোদনা না থাকায় ভারত থেকে বাড়তি দামে পেঁয়াজ আমদানি করতে হচ্ছে। এতে পাইকারি পর্যায়ে পণ্যটির দাম বাড়তে শুরু করেছে।

এর পরপরই সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করা হয়। বাজেটে পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

বাড়তি শুল্কের প্রভাব পড়েছে বাজারে। দ্বিতীয় দফায় দাম বেড়ে আমদানি করা পেঁয়াজের কেজি ১৮ টাকায় উঠে গেছে।

স্থানীয় পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বলেন, একদিকে সরবরাহ কম থাকা, অন্যদিকে বাড়তি আমদানি ব্যয়, এ দুয়ের কারণে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত