শিরোনাম

মেশিনারিজ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী

আগামী দেড় বছরেই ব্রাজিল রাশিয়ার বাজারে যাবো

প্রিন্ট সংস্করণ॥অর্থনৈতিক প্রতিবেদক   |  ০২:৩১, জুলাই ১৯, ২০১৯

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুিশ বলেছেন, দেশের রপ্তানি বৃদ্ধি করতে নতুন বাজারে প্রবেশের চেষ্টা চলছে। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাণিজ্যে প্রতিযোগিতা করেই টিকে থাকতে হবে। অপ্রত্যাশিত রানা প্লাজা দুর্ঘটনা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতকে ঘুড়ে দাঁড়ানোর পথ দেখিয়েছে।

দেশে এখন অনেক অত্যাধুনিক তৈরি পোশাক শিল্প। গ্রীণ ফ্যাক্টরির সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। তবুও অনেক দেশে এ পণ্য রপ্তানি করতে পারি না। আমাদের পণ্য রপ্তানি করে মধ্যস্থতাকারীরা লাভবান হচ্ছে। সে সব বাজারে আমাদের প্রবেশ করতে হবে।

প্রচেষ্টা চলছে, আশা করি আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে আমরা ব্রাজিল-রাশিয়ার মত বড় রপ্তানি বাজারগুলোতে প্রবেশ করতে পারবো। আমরা উপযুক্ত মূল্য আদায় করতে পাচ্ছি না। এজন্য আমাদের বার্গেনিং ক্যাপাসিটি বাড়াতে হবে এবং উৎপাদন ব্যয় কমানো চেষ্টা করতে হবে।

গতকাল ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেল কেন্দ্রে তিনদিনব্যাপী সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অফ এ্যাপারেল ইন্ডাষ্ট্রি ঃ প্রোসপেক্ট এন্ড অবসটেকলস শীর্ষক আলোচনা সভা ও মেশিনারিজ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।

এসআরইডিএর সদস্য সিদ্দিক জোবায়েরের সঞ্চালনায় এবং বিদুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন সাসটেইনেবল এন্ড রিনিউএ্যাবল এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (এসআরইডিএ) চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- এফবিসিসিআইর সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, ইনোওয়েল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্টারন্যাশনাল প্রা. লি. এর প্রতিষ্ঠাতা ফার্নো সুসাই, বিকেএমইর সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. ফজলুল হকসহ অন্যরা।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্শি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প রাতারাতি বর্তমান অবস্থায় আসেনি। খুবই স্বল্প পরিসরে তৈরি পোশাক শিল্প যাত্রা শুরু করেছিল। অনেক প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প আজ বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম।

আজ দেশের রপ্তানির প্রায় ৮৪ ভাগ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। চলমান রপ্তানি বাজারের পাশাপাশি ব্রাজিল ও রাশিয়ারমত বড় বাজারগুলোতে প্রবেশ করতে পারলে বাংলাদেশের রপ্তানি অনেক বাড়বে। আমরা প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রতি খুবই আন্তরিক। তিনি সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনেক।

তিনি আরও বলেন, শিল্প প্রতিষ্ঠানে আমাদের এনার্জির ব্যবহার কমিয়ে সোলারের ব্যবহার বাড়াতে হবে। বিশ্বমানের সোলার প্যানেল এখন বাংলাদেশে তৈরি হচ্ছে। বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে।

রিসাইকেলিং করে পানির ব্যবহার অনেক কমানো সম্ভব। এতে করে পণ্যের উৎপাদন খরচ অনেক কমে আসবে।

বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় আমরা অনেক এগিয়ে যেতে পারবো। এ জন্য প্রয়োজন পণ্যের মূল্য নির্ধারণে বার্গেনিং দক্ষতা প্রদর্শন।

ক্রেতারা সবসময় চাইবে কমদামে পণ্য ক্রয় করতে। এ ক্ষেত্রে দক্ষতার বিকল্প নেই। আমাদের দেশের পণ্যের মান ভালো এবং বিশ্ববাজারে প্রচুর চাহিদা রয়েছে বলে তিনি জানান।

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত