শিরোনাম

৫ হাজার ৪০০ কোটি ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক   |  ১০:২৯, আগস্ট ০৭, ২০১৯

চলতি অর্থবছরে (২০১৯-২০) রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ বিলিয়ন বা ৫ হাজার ৪০০ কোটি ডলার। পণ্য খাতে রফতানি টার্গেট সাড়ে ৪৫ বিলিয়ন এবং সার্ভিস সেক্টরে সাড়ে ৮ বিলিয়ন ডলার।

বুধবার (৭ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘রফতানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ও অনুমোদন’ সংক্রান্ত সভায় এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।

গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রফতানি আয় হয়েছে ৪ হাজার ৬৮৭ কোটি ৩৪ লাখ ডলার।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির অনুপস্থিতিতে সভায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো মফিজুল ইসলাম।

এ সময় অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) তপন কান্তি ঘোষ, অতিরিক্ত সচিব (এফটিএ) মো. শফিকুল ইসলাম, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান ফাতিমা ইয়াসমিন, ডব্লিউটিওর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. কামাল হোসেনসহ বিভিন্ন রপ্তানিকারকরা উপস্থিত ছিলেন।

সচিব বলেন, গত অর্থবছরে (২০১৮-১৯) ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রফতানি আয় হয়েছে ৪ হাজার ৬৮৭ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানি ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিপরীতে প্রকৃত রপ্তানি হয়েছে ৪০ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৩ দশমিক ৯৪ ভাগ বেশি।

অপরদিকে গত বছর সেবা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এর বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ৬ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রা থেকে ২৬ দশমিক ৭৭ ভাগ বেশি ছিল।

তাই আগামী বছরে যে রফতানি আয় নির্ধারণ করেছি সেটা আমরা অর্জন করতে পারবো। রপ্তানিকারকরা আন্তরিক হলে অতিসহজেই এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব।

তিনি বলেন, এবার তৈরি পোশাক খাতের রফতানি আয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৮২০ কোটি ডলার। যা গত বছরের তুলনায় ১১ দশমিক ৯১ বেশি। হোম টেক্সটাইলে ৪ দশমিক ৬১ শতাংশ বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৯ দশমিক ১০ কোটি ডলার।

পাট ও পাটজাত পণ্যে শূন্য দশমিক ৯৫ শতাংশ বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮২ কোটি ৪০ লাখ ডালার। চামড়া এবং চামড়াজাত পণ্যে ৭ দশমিক ১৮ শতাংশ বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

ফার্মাসিউটিক্যালে ৩০ দশমিক ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। কৃষি পণ্যে ২৩ দশমিক ২২ শতাংশ বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১২০ কোটি ডলার।

এছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং প্রডাক্টে ৮ দশমিক ১২ শতাংশ বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। হিমায়িত ও তাজা মাছ রফতানিতে ৩ দশমিক ৯২ শতাংশ বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ কোটি ডলার।

প্লাস্টিক পণ্য রফতানিতে ২৫ দশমিক ২১ শতাংশ বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ কোটি ডলার এবং সিরামিক পণ্য রফতানিতে ৩০ দশমিক ৪৯ শতাংশ বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ কোটি ডলার বলে সচিব জানান।

উল্লেখ্য, গত অর্থবছরে (জুলাই-জুন) পণ্য রফতানি করে ৪ হাজার ৫৩ কোটি ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ। রফতানির এ আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেশি, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেশি।

এএস/জেএ/আরআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত