শিরোনাম

আর বিদেশে যাবে না ইন্সুরেন্সের প্রিমিয়াম: অর্থমন্ত্রী

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক  |  ১৯:২৭, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, দেশের ইন্সুরেন্সগুলোর সক্ষমতার অজুহাতে বিদেশে ইন্সুরেন্স কোম্পানির প্রিমিয়াম চলে যেত। সে অবস্থার পরিবর্তন করা হচ্ছে। দেশেই থাকবে টাকা। অভ্যন্তরীণ কোম্পানিগুলো পাবে সেই প্রিমিয়াম।

বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরে-ই বাংলা নগরে অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের ৫০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

২০১৮ সালের হিসাব থেকে লভ্যাংশ হিসেবে এই টাকা দেয় প্রতিষ্ঠানটি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনবিআরের চয়োরম্যান মোশারফ হোসনে ভূঁইয়া, সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার আহসানসহ কর্পোরেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ৫০ কোটি টাকা লভ্যাংশ দেয়া হলেও তা বেশি নয়। তবে আগামী বছরে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দ্বিগুণ অর্থাৎ ১০০ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ বলেন, সরকারের বড় বড় প্রকল্প এই বীমার আওতায় এসেছে। তারা আগামী বছর ১০০ কোটি টাকা লভ্যাংশ দিতে পারবেন। ২০১৭ সালের হিসাব থেকে লভ্যাংশ হিসেবে ৪০ কোটি টাকা দিয়েছিল সাধারণ বীমা কর্পোরেশন। ২০১৮ সালে বেড়ে ৫০ কোটি টাকা হয়েছে।

সাধারণ বীমা কর্পোরেশন সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মাতারবাড়ি পাওয়ার প্লান্ট, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট বীমা কভারেজ প্রদান করছে।

কোম্পানিগুলো বীমার দাবি ঠিকভাবে পরিশোধ করে না গণমাধ্যমকর্মীদের এমন প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, সব দেশেই বীমা কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। তবে আমাদের দেশে এটা কম। সঠিকভাবে সব কিছু করা হয় না বলেই অভিযোগও বেশি।

উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ১০০ টাকার জায়গায় ১০ টাকা দেখানো হলে কোনো দুর্ঘটনার সময় ১০ টাকারই ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়। ১০০ টাকা দেয়ার সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে অভিযোগ করেও কোনো লাভ নেই। তবে ইন্সুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা রয়েছে। তারা এগুলো দেখভালো করবে। যাতে ইন্সুরেন্স কোম্পানি সঠিকভাবে বীমার দারি পরিশোধ করে।

জেএ/আরআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত