শিরোনাম

দর্শনার্থীদের পদচারণায় জমে উঠেছে গৃহায়ণ মেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৮:১৭, অক্টোবর ০৮, ২০১৯

তিনদিনব্যাপী গৃহায়ণ মেলা জমে উঠেছে। শারদীয় দূর্গোৎসবের বিজয়াদশমীর ছুটির দিন হওয়ায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের এই মেলায় ক্রেতা-দর্শনার্থীদের পদচারনা মেলা প্রাঙ্গণ ছিল মুখোর।

এক ছাদের নিচে ফ্ল্যাট নির্মাণসামগ্রীর বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। মেলা উপলক্ষে নানা ছাড় ও উপহার দিচ্ছে আবাসন কোম্পানি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। এসব ছাড়ের কারণে নতুন বাড়ি করার বিষয়ক দর্শণাথীদের বেশি আগ্রহ দেখা গেছে। বিশেষ করে বিকেল ৩টায় পর থেকে দর্শনার্থীদের আগমনে মেলা প্রাঙ্গন জমে উঠে।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় আয়োজিত তিন দিনের আবাসন মেলার দ্বিতীয় দিনে মঙ্গলবার দর্শণার্থী ও নতুন বাড়ি করার মালিকদের ভিড় দেখা যায়। অনেক স্টলে পরিবেশ বান্ধব বাড়ি করার সকল ধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ চাচ্ছেন দর্শকরা। ফলে মেলায় অংশ নেয়া বিভিন্ন স্টল প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়কর্মীরা বেশ খুশি।

মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত গৃহায়ণ মেলা প্রাঙ্গণে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

সোমবার (৭ অক্টোবর) থেকে মেলা শুরু হয়েছে। চলবে বুধবার( ৯ অক্টোবর) পর্যন্ত। এবারের মেলায় অংশ নিয়েছে ২৪টি প্রতিষ্ঠান। গৃহায়ণ মেলায় কথা হয় আর এফ এল-এর উপ-সহকারী ম্যানেজার কামরুল হাসান মিঠুর সঙ্গে।

তিনি বলেন, এবারের মেলা বেশ ভালো চলছে। তবে মেলার দিন বেশী হলে মেলাটা ভাল হতো। পরিবেশ বান্ধব বাড়ি করার পর বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী একমাত্র হলো পেইন্ট।

তিনি বলেন, অলরাউন্ডার এক্সটেরিয়র ইমালশন হাইব্রিড জার্মান টেকনোরৈাজি সমৃদ্ধ। আবহাওয়ার উপযোগী সর্বোত্তম পেইন্ট ব্যবহার করার জন্য আমরা আবাসন মালিকদের বলে থাকি। যদিও এর অত্যাধুনিক ফর্মুলা শতকরা ৩০০ ভাগ ইলাস্টমারিক ইফেক্ট দেয়, কিন্তু ইউ ভি ক্যাটালাইসিস এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ এন্টি ডার্ট গুণাবলি সৃষ্টি করে।

আমরা ইলাস্টমারিক এবং পূর্ণ ওয়াটার প্রুফিং এর জন্য প্রয়োগবিধি সঠিকভাবে নিশ্চিত করতে আমাদের স্টলে আসা দর্শনার্থীদের পরামর্শ দিচ্ছি। এই পরামর্শে পেয়ে সবাই খুশি বলে মনে করছেন হাসান মিঠু।

এছাড়াও তিনি জানান, দিনের বেলায় বাইরের দেয়াল তাপ শোষণ করে ফলে আস্তে আস্তে ঘরের ভেতরের তাপমাত্র বাড়তে থাকে। রেইনবো অল রাউন্ডার এক্সটেরিয়র পেইন্ট এর বিশেষ টেকনোলজি তাপ প্রতিফলিত করে ঘরকে ঠান্ডা রেখে তাপমাত্র ৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত কমায় এবং এতে বিদ্যুৎ খরচও কমে হয় বলে তিনি জানান।

মীর কনক্রিট ব্লক স্টলের সিনিয়র নির্বাহী ( সেলস ও মার্কেটিং) আসাদুজ্জামান নূর বলেন, আমাদের স্টলে যেসব মানুষ আসছেন তাদের নতুন বাড়ি করার জন্য আমরা আমাদের মীর কনক্রিট সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরছি।

তিনি বলেন, মীর কনক্রিট হলো ওজনে হালকা পরিবেশ বান্ধব পন্য। হাইড্রলিক চাপের মাধ্যমে তৈরির কারণে মীর কনক্রিট অনেক শক্তিশালী। রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক কম হয় বলে তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, মীর কনক্রিট দিয়ে ভবন বা বাড়ি নির্মাণ করলে বাড়ি শাক্তিশালী হয়। বিশেষ করে পাথর কুচি, বালি ও সিমেন্ট দিয়ে মীর কনক্রিট তৈরি বলে দেয়াল থেকে লবন বের হয়না এবং দেয়ালের রং ও প্লাস্টার সহজে নষ্ট হয়না।

উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এ মেলা সোমবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফিতা কেটে গৃহায়ণ মেলার উদ্বোধন করেন এবং মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ। গৃহায়ণ মেলায় স্টল দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।

এফএইচ/এমএআই

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত