শিরোনাম

‘আধুনিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা পালন করতে পারে সমাজকর্ম’

নিজস্ব প্রতিবেদক   |  ১১:২৮, জুলাই ১১, ২০১৯

সমাজ যত আধুনিক হচ্ছে তার সাথে পাল্লা দিয়ে নতুন নতুন সমস্যাও সৃষ্টি হচ্ছে। এ আধুনিক সমস্যা সমাধানে সমাজকর্ম অন্যতম ভ‍ূমিকা পালন করতে পারে। আমাদের দেশে বর্তমানে বিবাহ বিচ্ছেদ, অমানবিকতা, পরিবার ভেঙ্গে যাওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এগুলিতে সমাজকর্মের শিক্ষার্থীরা ব্যাপক ভূমিকা পালন করতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান সমাজকর্ম বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে সকাল ১০ টায় সমাজকর্ম বিভাগের চর্তুদশতম ব্যাচকে ফুল দিয়ে বরণ ও অষ্টম ব্যাচকে ক্রেস্ট দিয়ে বিদায় জানালেন বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা।

এসময় উপাচার্য আরো বলেন, সমাজকর্ম বিভাগ হচ্ছে একটি সুশৃঙ্খল সাবজেক্ট। এ বিভাগের কখন অনুষ্ঠান হবে সে অপেক্ষায় থাকি। ‘সমাজের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধানে এ বিভাগের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কাজে লাগিয়ে এ ধরনের কাজে তারাই এগিয়ে থাকবে। সমস্যা সমাধানের জন্য গবেষণার মাধ্যমে নতুন নতুন কৌশল সৃষ্টি করতে হবে। সামাজিক মূল্যবোধ বিচার করে বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজে বের করতে হবে। এভাবেই শিক্ষার্থীরা দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে উঠবে।

সামজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নবীনবরণ কমিটির আহ্বায়ক ও সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসান,সহকারী অধ্যাপক মোস্তাফিজ আহমেদ, সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন, সহকারী অধ্যাপক মোছা. মুনিরা সুলতানা, সহকারী অধ্যাপক জাফর ইকবাল, সহকারী অধ্যাপক মিফতাহুল বারী, সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক মো.মামুনুর রশীদ শেখ, সহকারী অধ্যাপক পার্থ সারথী মোহন্ত,প্রভাষক মুহা.শহিদুল হক, প্রভাষক মো. রেজাউল করিম প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে বিভাগীয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

আরআর

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত