শিরোনাম

দৌলতপুরে খাল খননে অনিয়মের অভিযোগ

মো. মামুন মিয়া, মানিকগঞ্জ  |  ২২:৫০, জুন ১৫, ২০১৯

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা ঘড়িয়ালা এলাকায় সরকারি খাল খনন প্রকল্পের খালের ডিজাইন পরিবর্তন, খাল খননের মাটি ট্রাক দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি, খালের কোথাও চওড়া এবং সরু আবার কোথাও অগভীরভাবে খাল খননে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর ও সাটুরিয়া এলাকায় ১ কোটি ৬৫ লাখ ৮৪ হাজার ১০৫ টাকা প্রকল্প ব্যয়ে ৬ কি. মি. দৈর্ঘ্য ও ৫ মিটার বিশিষ্ট খাল খনন প্রকল্প শুরু হয়েছে। প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি আর শেষ হবে ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি।

ঘড়িয়ালা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মীর কাশেম ও মৃত খালেকের স্ত্রী সকিনা বেগম জানান, খাল খননের পর মাটি খালের দুই পাশে রাখার নিয়ম থাকলেও ট্রাক দিয়ে মাটি বিক্রি করা হচ্ছে। আরও জানান, খালে অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থাপনা থাকায় খালের ডিজাইন পরিবর্তন করে ঠিকাদার কোথাও মোটা কোথাও সরু আবার কোথাও অগভীরভাবে খাল খনন করছেন।

আবার খালের মাটি না কেটে গাছপালাসহ অনেকের ব্যক্তিগত জমির মাটি কেটে ফেলারও অভিযোগ রয়েছে। এক সরকারি কর্মকর্তাই শুধু খাল থেকে অন্তত ৫০০-৭০০ ট্রাক মাটি নিয়ে তার নিচু জমি ভরাট করেছেন। খালের মাটি বিক্রিসহ খাল খনন প্রকল্পে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান তারা।

ঠিকাদারের প্রতিনিধি মো. আমীনুর রহমান বলেন, খাল খননের মাটি খালের পাড়ে জায়গা না থাকায় ট্রাক দিয়ে অন্যত্র সরানোর হচ্ছে। আর খালের মাটি এক সরকারি কর্মকর্তার বাড়িতে নেয়ার অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়টি সবাই জানে। অভিযুক্ত ঠিকাদার মো. বরকত মল্লিক মাটি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করেন তবে কাজে ১৯-২০ হতেই পারে বলে মন্তব্য করেন।

মানিকগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবে মওলা মো. মেহেদী হাসান জানান, খালের মাটি পাড়ে রাখার জায়গা না থাকায় কিছু মাটি পাশের লোকজন নিয়েছে। এছাড়া খালের মাটি বিক্রিসহ এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত