শিরোনাম

‘মোয়াজ্জেমকে সোনাগাজী থানায় হস্তান্তর করা হবে’

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৮:৩২, জুন ১৬, ২০১৯

গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ২০ দিন পর গ্রেপ্তার হয়েছেন ফেনীর সোনাগাজী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোয়াজ্জেম হোসেন।

জানা যায়, ওসি মোয়াজ্জেম রোববার সকালে হাইকোর্টে জামিন নিতে এলে বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। জামিন নেয়ার জন্য শনিবার তিনি ঢাকায় আসেন। রাতে এক আত্মীয়ের বাসায় অবস্থান করেন মোয়াজ্জেম।

থানায় যৌন হয়রানির অভিযোগ করতে আসা ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিও ছবিয়ে অভিযুক্ত হন ওসি মোয়াজ্জেম। এ ঘটনায় করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।

ওসি মোয়াজ্জেমের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে রমনা জোনের ডিসি মারুফ সরদার তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের সামনে কদম ফোয়ারার কাছ থেকে মোয়াজ্জেমকে গ্রেপ্তার হয়।

মোয়াজ্জেমকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি সোনাগাজী থানাকে জানানো হয়েছে বলেও জানান মারুফ সরদার।

তিনি বলেন, যেহেতু সোনাগাজী থানায় গ্রেপ্তারের পরোয়ানা আছে, সে জন্য মোয়াজ্জেমকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এরপর তারা ঠিক করবেন কোন আদালতে ওঠাবেন।

ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহানকে গত ৬ এপ্রিল পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তার দশ দিন আগে মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ জানাতে সোনাগাজী থানায় যান নুসরাত। সেখানে তাকে আপত্তিকর প্রশ্ন করে বিব্রত করেন এবং তা ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

ওই ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হলে আদালতের নির্দেশে সেটি তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

পিবিআই গত ২৭ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে ওই দিনই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। পরোয়ানা জারির দুই দিন পর মোয়াজ্জেম হোসেন হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছিলেন। তবে তিনি পলাতক বলে গ্রেপ্তার করতে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ সাইয়েদুল হক।

আরআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত