শিরোনাম

চামড়া শিল্পের বর্জ্য শোধনাগারে হচ্ছে কোম্পানি

প্রিন্ট সংস্করণ॥অর্থনৈতিক প্রতিবেদক  |  ১০:৩৭, মে ২৪, ২০১৯

সাভার চামড়া শিল্পনগরীর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার (সিইটিপি) পরিচালনার জন্য ‘ঢাকা ট্যানারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড’ নামে একটি কোম্পানি গঠন করা হচ্ছে।

এটি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে ২৬ মের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে এ সময়ের মধ্যে যেসব ট্যানারি মালিক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাবেন, তাদের সদস্য করে কোম্পানিটি গঠন করা হবে।

বৃহস্পতিবার শিল্প মন্ত্রণালয়ে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর সার্বিক বিষয়ে চামড়া শিল্পসংশ্লিষ্ট সংগঠন ও স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

সভায় শিল্পসচিব মো. আবদুল হালিম, অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প কর্পোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান মো. মোশতাক হাসান, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলএফএমইএবি) চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএলএলএফইএ) চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিনসহ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), বিসিক এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সাভার চামড়া শিল্পনগরীর সার্বিক অবস্থা বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এসময় ট্যানারি মালিকদের পক্ষ থেকে প্লটের মূল্য কমানোর দাবি, সলিড বর্জ্য ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থাকরণ, ট্যানারি মালিকদের ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধ এবং লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের কমপ্লায়েন্স অনুসরণের জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় জানানো হয়, চামড়া শিল্পনগরীর প্রতি বর্গফুট জায়গা উন্নয়নের জন্য সরকারের ১ হাজার ৭০০ টাকা খরচ হলেও উদ্যোক্তাদের স্বার্থ বিবেচনা করে তা প্রতি বর্গফুট ৪৭১ টাকা নির্ধারণ করেছে। সার্বিক বিবেচনায় প্লটের মূল্য কমানোর আর কোনো সুযোগ নেই।

২০১৯ সালের জুলাইয়ের মধ্যে প্রত্যেক ট্যানারি মালিককে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের মানদ্ল অনুযায়ী প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপনের নির্দেশনা দেয়া হয় সভায়। এ সময়ের মধ্যে যন্ত্রপাতি স্থাপনে ব্যর্থ হলে, সংশ্লিষ্ট ট্যানারির উৎপাদন বন্ধ করে দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত