শিরোনাম

সব ব্যাংকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংক্রিয় চালান চালু হচ্ছে

আসিফ শওকত কল্লোল, আসাদুজ্জামান আজম  |  ২১:০২, আগস্ট ১৮, ২০১৯

দেশের ৫৯ টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে ‌‘স্বয়ংক্রিয় চালান’ পদ্বতি চালু হচ্ছে । ফলে সরকারি কোষাগারে চালান থেকে অর্থ জমা দেওয়ার পরিমাণ আগের চেয়ে বাড়বে।

আগামী কয়েক মাসের মধ্যে সোনালী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ন্যায় সমান্তরালে অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকও সরকারি চালান লেনদেন কার্যকর করা হবে।

প্রথমে সোনালী ব্যাংকসহ সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঢাকা মহানগরীর শাখাগুলোতে এ সিস্টেমটি চালু হবে। পর্ষায়ক্রমে সারা দেশে বাস্তবায়ন হবে। বর্তমানের সিস্টেমে ভুয়া চালান ব্যবহার নজিরও রয়েছে। কিন্তু নতুন সিস্টেম চালু হলে সরকারের বিপুল রাজস্ব ফাঁকি বন্ধ হবে।

গত ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সোনালী ব্যাংকে যাচাইকৃত ১ কোটি ৪৮ লক্ষ ১৪ হাজার চালানের বিপরীতে ৪ লক্ষ ৩৮ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা জমা হয়েছিল।

রোববার (১৮ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয় ‘ট্রেজারি চালান ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ এর মাধ্যমে ট্রেজারি চালানের অর্থ সরকারের হিসাবে জমাকরণ একটা প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

অর্থ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘ট্রেজারি চালান ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ ব্যবহার করে যে কোন বাণিজ্যিক ব্যাংকের যে কোন শাখায় ট্রেজারি চালানের অর্থ গ্রহণ করা যাবে।

যে সমস্ত জনসাধারণ সরকারি ফি, কর এবং এমনকি জরিমানা জমা দেওয়ার দরকার রয়ে়ছে তারা সরকারের সবচেয়ে প্রাচীনতম পদ্ধতির মাধ্যমে বাণিজ্যক ব্যাংকগুলো সেবা প্রত্যাশী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নগদ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে চালান রসিদ প্রদান করবে।

চেকের অর্থ গ্রহণের প্রমাণ হিসাবে স্লিপ প্রদান করে পরবর্তীতে সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে চালান রসিদ প্রদান করবে।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক এই সিস্টেম থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে দৈনিকভিত্তিতে সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান অ্যাকাউন্ট ডেবিটি করে ট্রেজারি চালান বাবদ জমাকৃত অর্থ সরকারি হিসেবে ক্রেডিট করবে এবং ক্রেডিট হিসেবে মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে বরাবর পাঠাবে।

প্রজ্ঞাপনটিতে আরো বলা হয়েছে, দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সেবাপ্রত্যাশী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান হতে পাওয়া চালান রসিদ অনলাইন চালান ভেরিফিকেশন সাইটে যাচাই করে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করবে।এ ক্ষেত্রে চালান যাচাইয়ের সেবা দেওয়া সরকারি অফিসকে ব্যবহার চালান রসিদটি যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। যাতে রসিদটি আবার ব্যবহারের কোন সুযোগ না থাকে।

অনলাইন চালান ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হলে প্রয়োজন হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে হেল্পডেক্স জরুরিভিত্তিতে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

আরআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত