শিরোনাম

চলন্ত অটোরিকশায় শ্লীলতাহানির শিকার রুয়েট ছাত্রী

আমার সংবাদ ডেস্ক  |  ০৯:৫২, আগস্ট ২০, ২০১৯

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) এক ছাত্রীকে চলন্ত অটোরিকশায় শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রীকে চলন্ত অটো থেকে চার বখাটে ফেলে দেয় বলে জানা যায়।

সোমবার (১৯ আগস্ট) রাজশাহী সিটি করপোরেশন ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ছাত্রী রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। চার জন বখাটে অটোর ভেতরে জোর পূর্বক তার শরীরে ইচ্ছে মতো হাত দেয়।

এসময় ছাত্রী চালককে অটো থামাতে বললেও থামানো হয়নি। পরে তাকে অটো থেকে ফেলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ওই ভুক্তভোগী ছাত্রী।

তার নিজের ফেসবুক পোস্টে ওই ছাত্রী বলেন, ‘আমার বাসা উপরশহর। বাসা দূর বলে আমি সাধারণত রুয়েট থেকে রেলগেট পর্যন্ত অটোতে করে আসি। আজকেও প্রতিদিনের মতো অটো নিয়েছিলাম, সঙ্গে ছিল দুজন অপরিচিত রুয়েটিয়ান ভাইয়া আর একজন ভদ্রলোক। রুয়েটিয়ান ভাই দুজন চিশতিয়ার সামনে নেমে গেলেন। ভদ্রা পার হয়ে কিছুদূর যাওয়ার পর হঠাৎ অটোওয়ালা অটো থামিয়ে দিলো, সামনে থাকা ভদ্রলোককে বললো, আপনি নেমে যান, আমি নিজস্ব লোক তুলব!'

ভদ্রা থেকে রেলস্টেশন পর্যন্ত রাস্তা মোটামুটি নির্জন, ইচ্ছামত সেই চারজন আমাকে স্পর্শ করা শুরু করলো। হাজারবার অটো থামানোর জন্য চিৎকার করার পরও অটোওয়ালা পশুর মতো হাসতে থাকলো। পরে নগরভবনের সামনে পুলিশ দাড়িয়ে থাকতে দেখে তারা অটো থেকে ধাক্কা মেরে আমাকে ফেলে দিয়ে দ্রুত চলে গেলো! যতক্ষণে নিজের পায়ে দাঁড় হতে পেরেছি ততক্ষণে অটো বহুদূর।

এ বিষয়ে নগরীর মতিহার থানার র্কমর্কতা ওয়ালিউর রহমান বলেন, ‘এখনও আমাদের কাছে এ ধরনের অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তখন ব্যবস্থা নিতে পারব।’

এর আগে গত ১০ আগস্ট রুয়েটের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাশিদুল ইসলামের স্ত্রীকে প্রকাশ্যে এক বখাটে ধাক্কা দেন।

এর প্রতিবাদ করলে ৫-৭ জন মিলে ওই শিক্ষককে মারধর করে। এ ঘটনায় গত শুক্রবার অজ্ঞাতনামা আটজনকে আসামী করে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় মামলা করেন শিক্ষকের স্ত্রী তাবাসসুম ফারজানা।

এমএআই

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত