শিরোনাম

চৌকস অফিসারদের খোঁজে সরকার

প্রিন্ট সংস্করণ॥আসাদুজ্জামান আজম  |  ০৭:৫৪, মে ২৪, ২০১৯

প্রশাসনের প্রাণ জেলা প্রশাসনকে শক্তিশালী করতে মনোযোগী হয়েছে সরকার। মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদ জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে চৌকস অফিসারদের আনতে তৎপরতা শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে ১২০ কর্মকর্তার ফিটলিস্ট প্রস্তুত করা হয়েছে। যারা সবাই প্রশাসনিক ক্যাডারের ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তা।

আজ ও আগামীকাল শনিবার সচিবালয়ে ওইসব কর্মকর্তাদের সাক্ষাতকার নেয়া হবে। কয়েকটি ধাপে এ সাক্ষাতকার অনুষ্ঠিত হবে, এরপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে।

তথ্য মতে, মাঠপর্যায়ে সরকারি কাজের গতি বৃদ্ধি, মান উন্নয়নসহ সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসক পদে নতুন কর্মকর্তা যাচাইয়ে বেশকিছু নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার গোপন রিপোর্ট, প্রশাসনে তার অতীত কর্মকাণ্ড এবং ব্যক্তিগত ও পারিবারিক তথ্য যাচাই-বাছাই করে একটি ফিটলিস্ট তৈরি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র মতে, ১২০ জন কর্মকর্তা সবাই ২০ ব্যাচের কর্মকর্তা। আজ সকাল ৯টায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তাদের সাক্ষাতকার নিবেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এজন্য চারটি বোর্ড করা হয়েছে। প্রত্যেকটি বোর্ডে আগে ডিসি ছিলেন এমন কর্মকর্তাদের রাখা হয়েছে। এছাড়াও ডিসকাশন ও প্রেজেনটেশন এ দুটি ধাপের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলাদাভাবে প্রত্যেকের সাক্ষাতকার নিবেন।

ফিটলিস্ট অনুযায়ী আজ সাক্ষাতকারের তালিকায় থাকা কর্মকর্তারা হলেন- বিদ্যুৎ বিভাগের উপ-উচিব নাজমুল আবেদীন, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিপিটিইউ উপ-পরিচালক আকনুর রহমান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের জেনারেল ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম, অথনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপ-সচিব রোকেয়া খাতুন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব রাহেদ হোসেন, ওয়েজ অর্নার্স বোর্ডের পরিচালক জহিরুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, অর্থ বিভাগের উপ-সচিব ফিরোজ আহমেদ, জননিরাপত্তা বিভাগের উপ-সচিব আমিনুল ইসলাম, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আলমগীর হোসেন, স্থাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব বেগম মাকসুদা হোসেন, উপ-পরিচালক জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষরণ অধিদপ্তর (বরিশাল বিভাগ) খোন্দকার আনোয়ার হোসেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব জহিরুল ইসলাম, গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জামিল আহমেদ, বিসিএস প্রশাসন একাডেমির উপ-পরিচালক ড. আহমেদ উল্লাহ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপ-সচিব রাজা মো. আব্দুল হাই, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোতাহার হোসেন, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বাবর আলী মীর, গৃহায়ন ও গণর্পূত মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব শহিদুল ইসলাম ভূইয়া, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব আব্দুল্লাহ হারুন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব নুসিয়া কমল, পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বোর্ডের আইন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সানাউল হক, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শওগাতুল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মনিরুজ্জামান মিঞা, আইসিটি অধিদপ্তরের উপ-সচিব আবুল কাশেম, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপ-সচিব জসিম উদ্দিন খান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব এসএম আরিফ খান, ঢাকা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, পরিকল্পনা বিভাগের উপ-সচিব খোরশেদ আলম, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আলতাফ হোসেন শেখ, আইএমইডির পরিচালক খলিল আহমেদ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব নূরে আলম সিদ্দিকী, বিদ্যুৎ বিভাগের উপ-সচিব আহসানুল হাবিব হাসিব, জামালপুর অর্থনৈতিক জোনের প্রকল্প পরিচালক ছাইদুল রহমান, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব নায়েব আলী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, বিপিএটিসি পরিচালক ড. মহসীন আলী, হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কদ্দুস আলী সরকার, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপ-সচিব নাহিদ সুলতান মল্লিক, মানিকগঞ্জ হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ আবু নাঈম, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার এসএম হুমায়ন কবীর সরকার, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উপ-সচিব রফিকুল ইসলাম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের উপ-সচিব সাগরিকা নাসরিন, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলেয়া খাতুন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর একান্ত সচিব ওয়াহেদুর রহমান, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব শিবির বিচিত্র বড়ুয়া, জাতীয় সঞ্চয় পরিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের চট্টগ্রামের পরিচালক নুরুল্লাহ নবী, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মানিকছার রহমান, গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু ইউসুফ মো. রেজাউল রহমান, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপ-সচিব পরিমল সরকার, শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আবু সালেহ মো. মহিউদ্দিন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রথম সচিব ড. আব্দুল রহিম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব সাইফুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব রবীন্দ্রনাথ দত্ত।

২৫ মে সাক্ষাতকারের তালিকায় আছেন- রিডিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন প্রজেক্টের উপ-প্রকল্প পরিচালক শাহাদাৎ হোসেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব শামীম সোহেল, আরপিটিসির উপ-পরিচালক ড. সঞ্জয় চক্রবর্তী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের একান্ত সচিব এসএম আনসারুজ্জামান, প্রবাসী ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আবুল হোসেন, পিরোজপুরের জোনাল সেটেলম্যান্ট অফিসার শামসুল আজম, বগুড়ার বিয়ামের পরিচালক আব্দুল রফিক, ট্রেডিং কর্পোরেশনের সচিব মীর্জা আলী আশরাফ, শিল্পমন্ত্রীর একান্ত সচিব আব্দুল ওয়াহেদ, রংপুরের সিডিডিপির আঞ্চলিক প্রকল্প পরিচালক, এসএস আবু হোরাজরা, কপি রাইট অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার জোহরা বেগম, সড়ক, পরিবহন ও সেতু বিভাগের উপ-সচিব সুলতানা ইয়াসমীন, সেতু বিভাগের উপ-সচিব রাহিমা আক্তার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব শাফায়াতুল মাহবুব চৌধুরী, সংস্কার বোর্ড উপ ভূমি সংস্কার কমিশনার (সিলেট) আব্দুল হাই আল মাহমুদ, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আকতার হোসেন আজাদ, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের উপ-পরিচালক লাল হোসেন, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের সচিব হাজেরা খাতুন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপ-সচিব এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, খুলনা জেলা কারাগার নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক এসএম শাহীন পারভেজ, আরলি এডুকেশন চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প পরিচালক সুলতান আলম, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একান্ত সচিব ড. দেওয়ান মো. শাহরিয়ার ফিরোজ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব নাসরিন জাহান, তথ্যমন্ত্রীর একান্ত সচিব আরিফ নাজমুল হাসান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের সচিব এ কে এম তারেক, সামরিক ভূমি ও সেনানিবাস অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহীনুর শাহীন খান, আইএমইডির পরিচালক এসএম নাজিম উদ্দিন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব খাদিজা নাসরিন, পর্যটন কর্পোরেশন জেনারেল ম্যানেজার মো. মহসিন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব রিপন চাকমা, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মাহমুদুর রহমান হাবিব. সিলেট জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দেবজিৎ সিংহ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব বিন্দুষী চাকমা, রাজশাহী ওয়াসার ডিএমডি এসএম তুহিনুর আলম, বিপিএটিসির (সাভার) পরিচালক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের কর্তৃপক্ষের ম্যানেজার আবু হেনা মো. মোস্তফা কামাল, রংপুর জোনাল সেটেলম্যান্ট অফিসার আজমল হোসাইন, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিচালক মজিবুর রহমান, রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের উপ-সচিব শওকত আলী, গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের ডিডিএলজি কালা চাদ সিংহ, ঝালকাটি জেলা প্রশাসকের ডিডিএলজি দেলোয়ার হোসেন মাতাবর, ওয়ার্ল্ড ট্রেড অরগানাইজেশন সেলের উপ-পরিচালক খলিলুর রহমান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব শাখাওয়াত হোসেন, বিয়ামের পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার পাশা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মিরাজুল ইসলাম উকিল, নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মাহে আলম, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ফরিদ আহমেদ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক লুৎফন নাহার, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আনার কলি, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ মাহবুবুল হক, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ খায়রুল হাসান, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর পরিচালক ডিএম আতিকুর রহমান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব এনামুল হক, শৈলরঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক মো. আবদুল্লাহ, আইএমইডির পরিচালক খন্দকার মোহাম্মদ আলী, দরিদ্রতম অঞ্চলে খাদ্য প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ সোহেল হাসান, রাজশাহী জেলা প্রশাসকের ডিডিএলজি পারভেজ রায়হান ও জননিরাপত্তা বিভাগের উপ-সচিব বেগম মল্লিকা খাতুন।

জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (এপিডি) শাহনারা খাতুন দৈনিক আমার সংবাদকে বলেন, সাক্ষাতকারটি নেয়ার জন্য চারটি বোর্ড করে দেয়া হয়েছে। প্রত্যেকটি বোর্ডে ডিসি ছিলেন এমন অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের রাখা হয়েছে এবং তাদের পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ মন্ত্রিপরিষদ সচিব তাদের আলাদা সাক্ষাতকার নিবেন। এরপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত