শিরোনাম
একনেক সভায় ১১ প্রকল্প অনুমোদন

টঙ্গীতে হবে সাময়িক রাসায়নিক গুদাম

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৬:৪২, জুন ১৮, ২০১৯

চকবাজারের কেমিক্যাল সরাতে সূত্রপুরের পরে এবার টঙ্গীতে সাময়িক রাসায়নিক গুদাম নির্মাণ করা হবে।

এ জন্য প্রায় ৯২ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকার মঙ্গলবার (১৮জুন) একটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে।

এটিসহ মোট ১১ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এগুলো বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৫৩ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এসব তথ্য জানান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন-সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) ড. শামসুল আলম, পরিকল্পনা সচিব নুরুল আমিন, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব সৌরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীসহ অন্য শীর্ষ নির্বাহীরা।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সভায় ৮ হাজার ৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি প্রকল্প অনুমোদন হয়।

এর মধ্যে জিওবি প্রায় ৩ হাজার ৩৮৯ কোটি টাকা, বিভিন্ন সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন প্রায় ৫৫১ কোটি টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৪ হাজার ১১৩ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা সচিব নুরুল আমিন জানান, হাইওয়ে সড়ক নির্মাণের সময় চালকদের বিশ্রামাগার নির্মাণ করতে পুনরায় তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়া শুধু পৌরসভা এলাকায় নয়, ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত পানি সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য কত টাকা প্রয়োজন তারও হিসাব নিকাশের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে, নেত্রকোণা-কেন্দুয়া-আঠারবাড়ী-ঈশ্বরগঞ্জ জেলা মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প।

এর খরচ ধরা হয়েছে ৭১০ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। বাংলাদেশের ৩০টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন প্রকল্প।

এতে খরচ ধরা হয়েছে ১ হাজার ৭৫১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোর ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রকল্প।

এর খরচ ধরা হয়েছে ৫৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা। ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প। এর খরচ ধরা হয়েছে ৩৫২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

সভায় ইনভেস্টমেন্ট কম্পোনেন্ট ফর ভালনেরেবল গ্রুপ ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রাম প্রকল্পেরও অনুমোদন দেয়া হয়।

এতে খরচ ধরা হয়েছে ৩১৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা। কুমিল্লা-চাঁদপুর-ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সেচ এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৩২৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১২৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

প্রাণীসম্পদ উৎপাদন উপকরণ ও প্রাণীজাত খাদ্যেও মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার স্থাপন প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ১০৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। খুলনা ৩৩০ মেগাওয়াট ডুয়েল ফুয়েল কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প।

এতে খরচ ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৯১৯ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং টাঙ্গাইল বিসিক শিল্প পার্ক প্রকল্পও রয়েছে। এতে খরচ ধরা হয়েছে ২৯৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

এমএআই

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত