শিরোনাম

‘বিয়ে না করলে ওর বাড়িতে মরব’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  |  ১৮:৪৯, জুন ২৬, ২০১৯

জিন্নাত আলিকে আমি ভালোবাসি। সে আমাকে কথা দিয়েছিল সে আমাকে বিয়ে করবে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমাকে অনেকবার হোটেলেও নিয়ে গেছে সে। ‍তার সঙ্গে বহুবার হোটেলে রাত কাটিয়েছি। কিন্তু এখন সে হঠাৎ ‍উধাও হয়ে গেছে। কেন সে এই সম্পর্ক থেকে ঘুরে দাঁড়াল, বুঝতে পারছি না।

আমাকে যদি সেই বিয়ে না করে তাহলে আমি আত্মহত্যা করব। এছাড়া আমার আর কোনো উপায় নেই। কথাগুলো বলছিলেন ভারতের কালীগঞ্জ ব্লকের রাধাকান্তপুরের পূর্বপাড়ার এক তরুণী।

মাফিজা নামের ওই তরণী বিয়ের দাবিতে তার প্রেমিকার বাড়িতে গত সোমবার থেকে অনশন করে আসছেন। ব্যাগে করে আনা কাগজ পেতে প্রেমিকার বাড়ির বাইরে বসে পড়েন। যদিও দিনভর দেখা মেলেনি প্রেমিকের।

ওই সময় বাড়িতে ছিলেন তার মা। অবস্থা বেগতিক বুঝে বাড়ির দরজায় তালা লাগিয়ে বাইরে চলে যান প্রেমিক। মেয়েটি বলেন, ‘ভালোবাসা ফিরে পেতে এসেছি। ও যতক্ষণ না আমায় বিয়ে করবে, ততক্ষণ আমি এখান থেকে যাব না।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মাফিজার সঙ্গে জিন্নাতের সম্পর্কের কথা এলাকার অনেকেই জানেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে কথাবার্তাও হয়েছিল। তারপরও কেন হঠাৎ করে এ রকম ঘটনা ঘটল, তা কারো কাছেই স্পষ্ট নয়। এই ঘটনার পর এলাকায় লোকজনের ভিড় জমতে শুরু করে।

মাফিজা জানান, কলেজে পড়ার সময় জিন্নাতের সঙ্গে তাঁর ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু কলেজ শেষ হতেই জিন্নাত সম্পর্ক থেকে সরে যেতে থাকেন। মাফিজার কথায়, এই সম্পর্কের কথা দুই বাড়ির সবাই জানতেন।

দুইজনের বিয়ে হবে, সেটাও ঠিক ছিল। তাঁর অভিযোগ, এই কারণে জিন্নাতের চাকরির জন্য মাফিজার বাড়ি থেকে কয়েক ধাপে প্রায় দেড় লাখ টাকাও দেয়া হয়।

মাফিজা আরও অভিযোগ করেন, ‘বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমাকে অনেকবার হোটেলেও নিয়ে গেছে জিন্নাত। কিন্তু হঠাৎ করে কেন সে এই সম্পর্ক থেকে ঘুরে দাঁড়াল, বুঝতে পারছি না।’

বিকেলে ছেলের মা রবিনা বিবি ফিরে এসে মাফিজাকে মারধর করেন বলে তার অভিযোগ। যদিও পুলিশের কাছে তিনি অভিযোগ জানাননি। ব্লক অফিসের লোকজন গিয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন। পুলিশও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এমএআই

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত