শিরোনাম

বিচারাধীন মামলার বিষয় নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন সুপ্রিম কোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৭:৪৮, মে ২১, ২০১৯

বিচারাধীন মামলার সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকতে জারি করা আগের বিজ্ঞপ্তির নতুন ব্যাখ্য দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সবসময় সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। আদালতের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এবং বিচারকাজ প্রভাবিত হয়, এমন সংবাদ পরিবেশন ও প্রচার প্রত্যাশিত নয়।

এ অবস্থায় গত ১৬ মে জারি করা বিজ্ঞপ্তিটি (২৪৭/২০১৯) স্পষ্ট করা হলো এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করা হলো। সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিবাদ এবং বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহারের দাবির পাঁচদিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন এ বিজ্ঞপ্তি জারি করলো।

মঙ্গলবার (২১মে) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. জাকির হোসেনের সাক্ষওে নতুন বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়। বিচারাধীন মামলার সংবাদ প্রকাশ বিষয়ে এর আগে হাইকোর্ট প্রশাসনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি স্পষ্ট করতে নতুন বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়েছে।

এর আগে, গত ১৬ মে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানীর স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইদানীং লক্ষ্য করা যাচ্ছে, কোনো কোনো ইলেকট্রনিক মিডিয়া তাদের চ্যানেলে এবং কোনো কোনো প্রিন্ট মিডিয়া তাদের পত্রিকায় বিচারাধীন মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন/স্ক্রল করছে, যা একেবারেই অনভিপ্রেত।

এ অবস্থায়, বিচারাধীন কোনো বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন/স্ক্রল করা থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

সুপ্রিম কোার্টের হাইকোর্ট বিভাগের প্রশাসনের জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে তাৎক্ষণিক চিঠি দিয়েছিল আইন, আদালত ও সংবিধান বিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম (এলআরএফ)।

এলআরএফ জানায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি ব্যাথিত ও মর্মাহত। এরপর বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) ও এডিটরস গিল্ড পৃথক পৃথক বিবৃতি দিয়ে জানায় এ বিজ্ঞপ্তি স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী। সংগঠনগুলো বিজ্ঞপ্তিটি পুর্নবিবেচনারও অনুরোধ জানায়।

এরপর গত সোমবার আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের বলেন, আমার মনে হয় আপনারা খুব শিগগিরই এ বিষয়ে (বিচারাধীন মামলার সংবাদ পরিবেশন) একটি ব্যাখ্যা পাবেন। তার এই বক্তব্যের পরদিনই সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলো।

ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের একটি আপিলের শুনানিতে গত ১৬ মে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম অর্থেও বিনিময়ে রায় পাল্টে দেয়ার অভিযোগ করেন।

এ মামলায় ২০১৭ সালে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী এবং বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হক সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ অর্থঋণ আদালত আইনের মামলায় রাজধানীর দিলকুশার এম আর ট্রেডিং কোম্পানির (মিজানুর রহমানের মালিকানাধীন) অনুকূলে একটি আদেশ দেন।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে ন্যাশনাল ব্যাংক লি. আপিল করে। পওে হাইকোর্ট বিভাগের রায় নাকচ কওে দেন আপিল বিভাগ। এ বিষয়টি গণমাধ্যম আসলে বিজ্ঞপ্তি হজারি কওে হাইকোর্ট প্রশাসন।

এমএআই

 

 

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত