শিরোনাম

মেধাবী দেখে ঈর্ষা, গর্তে পড়ে শিক্ষা

আলী আবদুল মুনতাকিম  |  ১৯:০৭, জুলাই ০৬, ২০১৯

আমি-আমরা, তুমি-তোমরা, সে তারা তথা সকল মানুষই একটা বিচিত্র ব্যক্তিগত জীবন ধারণ করে আছে। দুনিয়ার সকল প্রাণীরও জীবন আছে। প্রাণীকূলের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ স্রষ্টার হাতে তাই তাদের কথা আলাদা। বিবেক-বুদ্ধি, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, স্বচ্ছলতা-অসচ্ছলতা, ঘৃনা-ভালোবাসা, শাসন-শোষণ মানুষের নিজ ইচ্ছা শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে বিধায় মানুষ জবাবদিহীতার আওতাভূক্ত। জীবন বিচিত্রময়। মানুষ এক জটিল প্রাণী।

গড় আয়ুর একজীবনে আমরা হাজারো অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হই। একজনের মৃত্যু থেকে ফেরার অভিজ্ঞতা আরেকজনের জীবন। হ্যানিম্যান নিজের দেহে ওষুধ প্রয়োগ করে অন্যকে বলে গেছেন। জীবনভর সুখ-স্বাচ্ছন্দ ভালোবাসায় কাটিয়ে দেবার মন্ত্র আরেকজনকে বলায় ক্ষতি নেই। যদিও এটা আনকমন।

রোগ শোক কষ্ট কন্টকের রাস্তা দেখিয়ে দিলে অন্যের লাভ। এটাও ভালোবাসা। ইংরেজিতে তাই বলা হয়, Life has different definition in the eyes of different people. ... For many life is all about love. For a few,life is all about religious practices. For philosopher like Aristotle life is about happiness:

Happiness is the meaning and the purpose of life , the whole aim and end of human existence... The search for life's meaning has produced much philosophical, scientific, theological, and metaphysical speculation throughout history

যাক সেসব তাত্ত্বিক কথা, মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এক মানুষ আমি। আমার নিজের কিছু কথা বলতে মন আনচান করছিল। কারো উপকার হলে আল্লাহ পাকের শোকরানা। চলুন শিরোনামে মন দেই।

আমার ক্ষুদ্র জীবনের বাঁকে বাঁকে বিচিত্র অভিজ্ঞতা আছে, ঈর্ষা আছে, দুঃখ কষ্ট আছে, যা সবারই থাকে। কিন্তু কিছু ঈর্ষা থেকে মুক্ত হতে পারিনি। কিছু কষ্ট ভুলা যাচ্ছে না।

নানা রংয়ের বর্ণের মানুষের সাথে মিশতে গিয়ে কী ঈর্ষা হল তাই লিখে রাখা। কাছের মানুষ মরতে দেখে এবং নিজেও মৃত্যুর মুখে গিয়ে কি শিখলাম তাই বলে যাওয়া। খুব খুব সংক্ষিপ্ত। ট্র্যাজেডির কথা শেষ দিকে রাখলাম।

১. ১৯৯১ সাল। বাংলামোটরে আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ স্যারের বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে ‌‌‘মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠানে গেলাম। আমার দূর আত্বীয় আব্দুল ওয়াহাব বীর বীক্রমকে সম্বর্ধনা দেয়া হবে। আবুল মাল আবদুল মুহিত, মেজর হাফিজ অতিথি।

প্রথম আলোর মতিউর রহমান বললেন, এক আয়োজনে অনেক কাজ করে ফেলব।সম্মাননা প্রদান, শিল্পী সংবর্ধনাসহ বেশ কিছু কাজ করলেন। এটাই শিক্ষা।

সাঈদ স্যারের কথায়-বক্তৃতায় মুগ্ধ হলাম। ঈর্ষান্বিত হলাম, তার মত যদি অধ্যাপক হতাম, বক্তৃতা দিতে পারতাম। তা কি আর হয়? প্রচুর পড়াশুনার ধৈর্য্য কয়জনার আছে।

তিনি আলোকিত মানুষের কথা বলেন। রাজধানীর রাস্তায় বইয়ের গাড়ি ঘুরে। নানান বিষয় নানান কিসিমের বই। বইগুলো দেখে মনে হল, আহা কত না ভাল হত গাড়িতে সৃষ্টি ও স্রষ্টা সংক্রান্ত বই যদি বেশি থাকত। কারণ, আলোটা সেখানেই বেশি।

২. সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু সাহেবের প্রথম সংসদ বক্তৃতায় তিনি আমাকে সংসদ গ্যালারিতে বসে তার বক্তৃতা শোনার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। সংসদে তার বক্তব্য ও আকর্ষণীয় উপস্থাপনায় মুগ্ধই শুধু হইনি, ঈর্ষান্বিতও হয়েছিলাম, গর্ব হয়েছিল কুমিল্লার সন্তান বলে।

সামনাসামনি কথা বললে বুঝা যায়না তিনি কোন দলের। তখন তাকে দলমতের পার্থক্য করতে কম দেখেছি। এরকম গুণে গুণান্বিত দেখেছি আরেক জনকে। তিনি ঢাকার সাবেক মেয়র মো. হানিফ।

এখানে একটি বিষয় শিক্ষণীয় ছিল, কে কোন দল করে সেটা একদমই তুচ্ছ জ্ঞান করতে হবে। মানুষ হিসেবে সকলকে ভালোবাসতে পারলে সবার ভালোবাসা পাওয়া যাবে।

৩. ১৯৮৩ সাল। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র আমরা ৩ জন বাংলাদেশ টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নেই। প্রযোজক বেলাল বেগ স্যারকে (এক সময় ভিক্টোরিয়ায় পড়াতেন) দেখে ঈর্ষা হল, তার মত বিটিভির প্রযোজক হতে পারতাম যদি!

বিতর্ক প্রতিযোগিতার পরে টেলিভিশন ভবন ঘুরে সেদিন আমার ভাল অভিজ্ঞতা হয়নি। প্রাণহীন মনে হয়েছিল। আমি ছোট মানুষ, তাই শালীনতার বিষয়ে কথা বলার সাহস ছিল না।

বহু সংখ্যক এবং বড় বড় স্টুডিও। শব্দ নিয়ন্ত্রণ লাইটিং অত্যাধুনিক। এসব স্টুডিও এখনও কোনো চ্যানেলের পক্ষে করা সম্ভব হয়নি। টিভি ভবনের স্টুডিওগুলো বড় হলেও তাদের মনটা যদি বড় হত কতই না ভাল হত!

৪. ঢালিউডের কিং শাকিব খান। মাত্র ২/৩ টি ছবি করেছেন শাকিব। তখন এত পরিচিতি পাননি। ছোটভাই শাজু নিয়ে গেল। অভিনয় হবে গাজীপুর হোতাপারায়।শাকিব হাডুডু খেলায় চ্যাম্পিয়ন হয়। পুরষ্কার দেব আমরা দুজন। কণ্ঠের রাজা গাজী মাযাহার এবং আমি।

তিনি একটি কোম্পানির চ্যায়ারম্যান আমি এমডি’র অভিনয় করলাম। শাকিবের সেদিনের হলুদ মায়াবি চেহারায় খুব ঈর্ষা হয়েছিল। বাংলাদেশের কোন ছেলের এত সুন্দর চেহারা হতে পারে! বিষ্ময়কর!

পরক্ষণেই ভাবলাম নাহ, আমাকে আল্লাহপাক যা দিয়েছেন তাই বা কম কিসে? আলহামদুলিল্লাহ। আমার যে বুঝ তা তো তার দেখলাম না। মেকআপ ধুয়ে জোহর এবং আসর পড়েছিলাম। সেটের কাউকে নামাজ পড়তে না দেখে কষ্ট হয়েছিল।

৫. ১৯৯৮ সাল। আামার ছোট ছেলের পিডিএ (হার্টের বাইরে এক ধরণের রোগ, এখানে বলে রাখি আমাকে এক বছর পর্যন্ত ডাক্তারগণ ছেলের হার্ট-এ ফুটো আছে বলে হার্ট ছিদ্রের ফিলিং এর ওষুধ খাওয়ান, অথচ তার হার্ট-এ কোনো ফুটো ছিল না)
অপারেশনের আগে দেখাবার জন্য এশিয়ার বিখ্যাত ভারতের ডাঃ দেবি শেঠির কাছে গেলাম (তিনি ঢাকা এলে)।

তিনি শিশুদের অসম্ভব আদর করেন। ভিজিটও কম নিতেন। অসুস্থ শিশুদের বাবা মা’র দোয়ায় হয়ত তিনি বিখ্যাত। বিশাল সুঠাম দেহ, ফর্সা- যেন বলিউডের নায়ক।

ঈর্ষা হয়েছিল তার মত ডাক্তার হতে পারতাম যদি! না হলেও এভাবে নিষ্পাপ শিশুদের জন্য যদি কিছু করা যেত। আজ দেখি কলকাতার সারেগামায় বাংলাদেশের আরমান ঠোটকাটা শিশুদের চিকিৎসা করছেন বলে মাতিয়ে দিলেন।

ঢাকা মিশন কলেজের প্রিন্সিপাল হুমায়ুন অন্ধ মেয়েদের পড়ান। আমি কি করলাম!যাক আমার ছেলেকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালেই অপারেশন করেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ সে ভালো হয়।

৬. ২০১২ সাল। ওমরা যাচ্ছি। ঢাকায় ইমিগ্রেশন আমার স্ত্রী’র পাসপোর্ট জাল বলে আটকে দিল। আমি আর ছেলে গেলাম। আমাকে জোর করে পাঠিয়ে দিয়ে আমার স্ত্রী কেঁদে বাসায় ফিরে এলেন। জীবনের অনেক বড় কষ্টের ঘটনা৷

ওমরা শেষে ঢাকায় ফিরে এসে আবার স্ত্রীর পাসপোর্ট করতে গিয়ে ধাক্কা খেলাম।আগারগাঁও অফিস বলল, আপনার স্ত্রী’র পাসপোর্ট তো একদম ঠিক আছে। কে বলেছে জাল? বললাম ইমিগ্রেশন বলেছে।

মেজর অফিসার রাগত স্বরে বললেন, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করুন। আমি বললাম, তারা তো বলেছে আপনাদের পাসপোর্ট অফিসের বিরুদ্ধে মামলা করতে। মামলা করে এদেশে আর কি হবে! থেমে গেলাম।

আজ আমার স্ত্রী জান্নাতবাসীনি। ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে ২০১৭ এ মারা যান। তার আর ওমরা করা হয়নি। দায় কার??? কার দোষে আমার স্ত্রী'র ওমরা হয় নি!!!কাল হাশরে আমার স্ত্রী নিশ্চয়ই মামলা দায়ের করবেন।

৭. জেদ্দা এয়ারপোর্টে ঢুকতে একটু দেরি হয় গাড়ি এক্সিডেন্ট করায়। আমাকে ইমিগ্রেশনে অফিসার ঢুকতে দিল না, ফ্লাইটে ঢোকার নাকি সময় শেষ। অনেক রিকুয়েষ্ট করেছিলাম। আমার পরে ৪/৫ জনকে দিল। তারা সাদা চামরার।

একজন বাঙ্গালী বিষয়টি দেখে বলল, ইন্ডিয়ার এই লোকগুলি বাঙ্গালি দেখলে এরকম করে। তখন বুঝিনি কিছুই।

যাক এমিরেটস এর বুকিং অফিসে গেলাম পরের ফ্লাইটের আশায়। সেখানেও ইন্ডিয়ান কর্মকর্তা, তাকে বললাম ফ্লাইট মিস, দুবাই এর পরের ফ্লাইট টিকেট দিতে। তিনি বললেন, জেদ্দা গিয়ে টিকেট আনতে। পাত্তা দিলেন না।

নাছোরবান্দা হওয়ায় একটা অফিস দেখিয়ে দিলেন টিকেট নিতে। সেখানেও ইন্ডিয়ান কর্মকর্তা। তিনিও পাত্তা দিলেন না। আমার দুঃখ নেই। জেদ্দা সৌদিয়ান এয়ারপোর্ট ম্যানেজারের কাছে গেলাম তিনিও একই আচরণ করলেন। প্রচণ্ড মানসিক চাপ আর কষ্ট নিয়ে বসে পড়লাম। বাঙালি হয়ে জন্মেছি বলে এই আচরণ?

অবশ্য আজ আর আমার দুঃখ নেই। হয়ত কাকতালীয় ছিল। আমার পেরেশানি লক্ষ করে একজন নিগ্রো- কালো আফ্রিকান এগিয়ে এসে বললেন, হেভ ইউ মিসড ডুবাই ফ্লাইট? দুবাই যাবা? দা‍ঁড়িয়ে বললাম, ইয়েস ব্রাদার। বললেন, নো টেনশন, ইজি মেটার।

দুবাইয়ের একটা ফোন নং দিয়ে বললেন পরের ফ্লাইট টিকেট করে নাও। তাই হল।তাকে দেখে হযরত বেলালের কথা মনে পড়েছিল। এই তো মুসলিম, গায়ে পড়ে সেবা।তার জন্য দোয়া করেছিলাম। তাহলে যারা পেশাদার তারা আমার সাথে এরকম ব্যবহার কেন করলেন?

৮. ২০১৬ এর অগাস্ট এ আমার স্ত্রী’র কোলন ক্যানসার ধরা পড়ে। পিজিতে নিয়ে গেলাম। ডাক্তার বললেন, জরুরি অপারেশন করে কোলন অংশ ফেলে দিতে হবে, না হয় সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়বে। আমি দেরি করিনি।

ল্যাবএইডে জরুরি অপারেশন হল। বিল হল দেড়লাখ টাকার মত। ২ দিন পর ছিল কুরবানির ঈদ। আসলে ডাক্তার ভুল চিকিৎসা করেছিলেন। আমার স্ত্রী'র চিকিৎসার চেয়ে তার কুরবানির ঈদে পকেটের গুরুত্ব বেশি ছিল। সিঙ্গাপুর গিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার হয়।

বঙ্গবন্ধু মাডিকেলের ডাক্তার অপারেশন করেই ক্যানসারটা সারা দেহে ছড়িয়েছেন।সিঙ্গাপুর থেকে জেনেছি, কোলন ক্যানসারে, আগে কেমো থেরাপি দিয়ে ক্যানসারটিকে ছোট দুর্বল করে তারপর কেটে ফেলতে হয়। আমাদের বঙ্গবন্ধু মাডিকেলের ডাক্তার কেন জানেন না? না টাকার জন্য ডাক্তার থেকে ডাকাত হয়েছেন।

১১ মাসের মাথায় আমার স্ত্রী মারা গেলেন! ডাক্তারের বিরুদ্ধে আমার মামলা করা দরকার ছিল। করিনি!!! কি লাভ। তারা মেডিক্যাল ভার্সিটির ডাক্তার যে! অনেক ক্ষমতাবান। আমরা চুনোপুঁটি।

৯. ২০১৩ সাল। আমার কিডনি রোগ ধরা পড়ে- পায়ে পানি আসে ।তার আগেই ৮০% ডেমেজ্ড। এটাকে বলে CKD বা Chronicle kidney disease. নীরব রোগটি কিডনি ধ্বংস করার আগে কোন চিহ্ন দেখায় না।

রোগটি আমার ২০১০ এ দেখা দেয়। অর্থাৎ S.Creatinine বেড়ে যায়। বিশ বছরের পুরনো আমার ডাক্তার ব্লাড রিপোর্টের ক্রিয়েটিনিন রিডিং এর উপর শুধুই একটি লাল গোল চিহ্ন দিয়ে ২০১০ সালে দায়িত্ব শেষ করেন। (বন্ধুদের বলি, অবশ্যই ৬ মাস পরপর S Creatinine test করবেন। এটি জরুরি।

যখন বলল, আপনার CKD তো দশ সাল থেকে। আমি বললাম, আমি কি বুঝি Creatinine কাকে বলে। আপনি বলে দিলেন না কেন? তিনি ইবনে সিনার গোল্ড মেডেলিস্ট। ঘৃনা তার প্রতি আমার।

যাক ডায়ালায়সিস করে যাচ্ছি। ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে না। প্রায়ই ২২০/১২০ বা ১৮০/১১৫। প্রেশারের টেবলেট প্রতিদিন খাই ২০ থেকে ২৮ টা (এসব অভিজ্ঞতা লিখতে বই লিখতে হবে)।

জরুরি কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। দেশের বাইরে গেলাম। ডা. ২২ টা টেবলেট খাই শুনে তাকিয়ে রইলেন। তিনিও ২২ টাই দিলেন, তার দেশের। কিন্তু ১ টা প্রেশারের টেবলেট খাওয়া মাত্রই আমার প্রেশার নিয়ন্ত্রণে এসে গেল। জাস্ট মিরাকল।

কিডনি বদল করে দেশে আসলাম। ডাক্তারকে গিয়ে বললাম, আপনি আমাকে ২৮ টা পর্যন্ত প্রেশারের টেবলেট খাওয়ালেন। আপনি ভুল না ওষুধ নকল? তিনি শুধুই হাসলেন।

১০. আমার এসএসসি পরীক্ষার কিছুদিন আগে মন্ত্রী কর্নেল আকবর হোসেন আমাদের গ্রামে এলেন। রাজনীতির কিছুই বুঝি না। গ্রামের এক এক মুরুব্বি চাচার কথায় আমি নিজেই অতিথির জন্য মানপত্র লিখেছিলাম, বা‍ঁধাই করেছিলাম, পাঠ করেছিলাম। তিনি মুগ্ধ হয়ে আমাকে মাথায় হাত বুলিয়ে দেন।

এক বছর পর শুনি মন্ত্রী সেদিন ছেলেটির প্রশংসা করেছেন এবং আমাকে ৫০ টাকা দিতে ওই মুরুব্বির হাতে দিয়েছিলেন। চাচা আমাকে শুনান নি। টাকাটা তিনি মেরে দেন। কত বড় গাদ্দার। আমার কৈশোর মনে খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। রাজনীতির আশেপাশের লোকজনের ওপর অশ্রদ্ধা তৈরি হয়েছিল তখন থেকেই।

আর ও বহু কিছু লেখার ছিল। সুযোগ পেলে লিখব ইনশাআল্লাহু তায়লা।

লেখক: প্রকৌশলী, গবেষক ও টিভি আলোচক

আরআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত