শিরোনাম

বিশ্ব শরণার্থী দিবসেও কোনো অঙ্গীকার নেই রোহিঙ্গাদের প্রতি

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৫:৪১, জুন ২০, ২০১৯

আজ বিশ্ব শরণার্থী দিবস। বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের অমানবিক অবস্থানের প্রতি আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের সচেতনতা সৃষ্টির জন্য পালন করা হয় দিবসটি।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বর হত্যাকাণ্ডের মুখে পালিয়ে আসা ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম অবস্থান করছেন বাংলাদেশের কক্সবাজারে।

শরণার্থীদের কল্যাণে দিবসটি প্রতিবছর পালিত হলেও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য দিবসটির কোনো অর্থ নেই। কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরটিতে দিবসটি উপলক্ষে নতুন কোনো সাড়া নেই, নেই কোনো অঙ্গীকার; নেই নতুন কোনো আনন্দ সংবাদ।

উল্লেখ্য, কুতুপালংয়ে ৯ বর্গমাইল এলাকাজুড়ে নতুন এবং পুরনো মিলিয়ে প্রায় আট লাখ রোহিঙ্গার আশ্রয়স্থল। বাকিদের অস্থায়ী ঠিকানা টেকনাফে।

১৯৭৮ থেকে চলতি বছর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে আসা এই শরণার্থীরা নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে স্বদেশে ফেরার অপেক্ষায় দিন গুণছে।

নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও হঠাৎ ঘটে যাওয়া এ সংকট সাফল্যের সঙ্গে মোকাবেলার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সাহায্য সংস্থার সমন্বয়ে শরণার্থীদের প্রয়োজনীয় অন্ন-বস্ত্র-চিকিৎসাসহ সবধরনের সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে সরকার। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশ বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিলেও মিয়ানমার সরকারের অসহযোগিতায় এখনো আলোর মুখ দেখেনি সেই প্রক্রিয়া।

এদিকে বিপুল সংখ্যক শরণার্থী আশ্রয় দিতে গিয়ে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে বাংলাদেশকে। উজাড় হয়েছে ৬ হাজার একর বনভূমি, হারিয়েছে পরিবেশের ভারসাম্য। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন স্থানীয়রা। মাদকের হুমকি তো রয়েই গেছে।

উখিয়া উপজেলা প্রশাসনের সবশেষ তথ্যমতে, ১১ লাখ ১৬ হাজার ৪১৭ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীর বায়োমেট্রিক নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। বাকিদের অনেকেই রয়েছে পলাতক জীবনে।

এসএস

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত