শিরোনাম

মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ৩৩ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ২০:৩১, আগস্ট ২০, ২০১৯

জাতীয় নেতা, ভাষাসৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, বৃটিশবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের ৩৩ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সলঙ্গা বিদ্রোহের এ নায়কের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা, সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

ঢাকায় মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল, ১৪ দলের শরীক বাংলাদেশ গণআজাদী লীগের উদ্যোগে কর্মসূচি পালিত হয়। মঙ্গলবার সকালে আবদুর রশিদ তর্কবাগীশের বনানীস্থ কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন কওে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা।

আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলের পক্ষে শ্রদ্ধা জানান- ওয়ার্কাস পার্টিও সভাপতি সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি, জেপির মহাসচিব সাবেক মন্ত্রী শেখ শহিদুল ইসলাম, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক সাবেক মন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এসএম কামাল হোসেন, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন।

গণ আজাদী লীগের সভাপতি এ্যাড. এসকে সিকদার, সাধারণ সম্পাদক আতাউল্লাহ খানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা দলটির প্রতিষ্ঠাতার কবওে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এছাড়া সিরাজগঞ্জে জাতীয় নেতার মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ পাঠাগার, সমাজ কল্যান সমিতি, তর্কবাগীশ ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে বাদ আছর সলঙ্গা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে দোয়া, মিলাদ ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

সলঙ্গার চড়িয়া তর্কবাগীশ বিজ্ঞান দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। পাটধারী তর্কবাগীশ উচ্চ বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, রায়গঞ্জের নুরুন্নাহার তর্কবাগীশ সরকারী কলেজের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচী পালিত হয়।

মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউপির তারুটিয়া গ্রামের এক পীর বংশে ১৯০০ সালের ২৭ নভেম্বর জন্ম গ্রহন করেন। তার পিতার নাম শাহ সৈয়দ আবু ইসহাক ও মাতার নাম ছিলেন আজিজুন্নেছা।

তার নেতৃত্বে ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি বিলেতি পণ্য বর্জন আন্দোলনে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা হাটে বিটিশ পুলিশের গুলিতে সাড়ে ৪ হাজার লোক হতাহত হয়। ১৯৫২ সালে তারই নেতৃত্বে হয় ভাষা আন্দোলন।

১৯৫৫ সালের ১২ আগস্ট পাকিস্তানের গণপরিষদে রাষ্ট্রীয় ভাষা বাংলার দাবিতে তিনিই প্রথম বাংলায় বক্তব্য দেন। ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

এমআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত