শিরোনাম

ক্রিকেট বিশ্বকাপের কিছু রেকর্ড তালিকা

স্পোর্টস ডেস্ক  |  ১০:৪২, মে ২৭, ২০১৯

আগামী ৩০ মে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলসে শুরু হতে যাচ্ছে ওয়ানডে বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। তবে শুরুর আগেই ক্রিকেট ভক্তদের মাঝে বিরাজ করছে নানা ধরণের উত্তেজনা।পছন্দের দল নিয়ে নানা হিসেবে নিকেশ। ঘাঁটা হচ্ছে রেকর্ড বই। আইসিসি বিশ্বকাপের কিছু রেকর্ড তালিকা তুলে ধরা হল:

*২০১৫ বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৬ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া ৪১৭ রান করেছিল। যা এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ইনিংস। তবে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ রান হয়েছে ওই বিশ্বকাপেরই অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ম্যাচে। ৬৮৮ রান উঠেছিল সে ম্যাচে।

*২০০৩ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাত্র ৩৬ রানে অলআউট হয়ে গিয়েছিল কানাডা। এর আগের রেকর্ডটিও ছিল তাদের। ১৯৭৯ সালে ইংলিশদের বিপক্ষে ৪৫ রানে অলআউট হয়েছিল কানাডা।

*বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান করেছেন ভারতের শচিন টেন্ডুলকার। ৪৫ ম্যাচে ২২৭৮ রান করেছেন তিনি। সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরিও করেছেন তিনি। এমনকি সর্বোচ্চ হাফসেঞ্চুরিও করেছেন এ ভারতীয়। ৬টি সেঞ্চুরির সঙ্গে ২১টি হাফসেঞ্চুরি করেছেন এ কিংবদন্তি।

*দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি আয়ারল্যান্ডের কেভিন ও’ব্রেইনের। ২০১১ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫০ বলে করেন সে সেঞ্চুরি। তবে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরিটি ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮ বলে করেছেন নিউজিল্যান্ডের ব্রেন্ডন ম্যাককালাম।

*বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ ইনিংসটি কিউই ওপেনার মার্টিন গাপটিলের। ২০১৫ বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৬৩ বলে ২৩৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন এ ওপেনার।

*২০১৫ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা টানা চারটি সেঞ্চুরি করেন। বাংলাদেশের (১০৫*), ইংল্যান্ড (১১৭*), অস্ট্রেলিয়া (১০৪) ও স্কটল্যান্ডের (১২৪) বিপক্ষে এ সেঞ্চুরিগুলো করেন তিনি। এক আসরে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি করার রেকর্ডও এটি।

*বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ছক্কা মেরেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল ও দক্ষিণ আফ্রিকার এবি ডি ভিলিয়ার্স। দুই জনই সমান ৩৭টি করে ছক্কা মেরেছেন। তবে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কা মেরেছেন গেইল। ২০১৫ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৬টি ছক্কা মারেন তিনি।

*বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় জুটিটি গড়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের গেইল ও মারলন স্যামুয়েলস। ২০১৫ বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩৭২ রানের জুটি গড়েছিলেন তারা।

*বিশ্বকাপের সর্বাধিক উইকেট শিকারি অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাকগ্রা। ৩৯ ম্যাচে ১৮.১৯ গড়ে ৭১টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। বল হাতে সেরা গড়ও তার। ২০০৩ সালে নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাকগ্রার নেওয়া ১৫ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট বিশ্বকাপের সেরা বোলিং ফিগার। ২০০৭ বিশ্বকাপে ২৬টি উইকেট পেয়েছিলেন এ অস্ট্রেলিয়ান পেসার। যা এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড।

*উইকেটরক্ষকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল করেছেন শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা, ৫৪টি। এক টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ডিসমিসাল করেছেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। ২০০৩ বিশ্বকাপে ২১টি ডিসমিসাল করেন তিনি।

*তবে শুধু ফিল্ডার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং, ২৮টি। এক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ক্যাচ ধরার রেকর্ডটিও তার। ২০০৩ বিশ্বকাপে ১১টি ক্যাচ ধরেন তিনি। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৪৬টি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও তার।

*রানের হিসেবে ২০১৫ বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ২৭৫ রানের জয়টি সর্বোচ্চ ব্যবধানের জয়। তবে উইকেটের হিসেবে ১০ উইকেটের জয় বিশ্বকাপে রয়েছে ১১টি। এর মধ্যে সর্বোচ্চ তিনবার বিব্রতকর এ হার দেখেছে বাংলাদেশ।

*বিশ্বকাপে কম রানের ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড আছে দুটি। দুটিতেই ভারতের বিপক্ষে ১ রানের জয় পায় অস্ট্রেলিয়া। ১৯৮৭ সালে ২৭১ রানের লক্ষ্যে ভারত থামে ২৭০ রানে এবং ১৯৯২ সালে ২৩৬ রানের লক্ষ্যও টপকাতে পারেনি। উইকেটের ব্যবধানে ১ উইকেটের হার আছে ৬টি।

*বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৬২টি ম্যাচ জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। এর মধ্যে ১৯৯৯ সাল থেকে ২০১১ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার আগে টানা ২৭টি ম্যাচ জিতেছিল দলটি। টানা ৩৪ ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ডটিও তাদের।

*সর্বোচ্চ ৪২টি ম্যাচ হেরেছে জিম্বাবুয়ে। টানা হারের রেকর্ডটিও তাদের। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ১৯৮৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিতেছিল দলটি। পরের জয়টির জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছিল ১৮টি ম্যাচ।

এমএআই

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত