শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২০

২১ চৈত্র ১৪২৬

ই-পেপার

আমার সংবাদ ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ২১,২০২০, ১০:০০

ফেব্রুয়ারি ২১,২০২০, ১০:০০

সেই বন্দুকধারীর ‘হিটলিস্টে’ ছিল বাংলাদেশিরাও

 

জার্মানিতে সিসা বারে হামলাকারী ঘাতকের হিটলিস্টে ছিল বাংলাদেশিসহ বেশ কয়েকটি দেশের অভিবাসীরা।

হানাউ শহরে বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে ওই হামলায় ১০ জন নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে ৫ জনই তুরস্কের নাগরিক। বন্দুকধারী উগ্রবাদী শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তি আত্মঘাতী হওয়ার আগে হত্যা করেন নিজের মাকেও।

ডেইলি মেইল জানায়, ৪৩ বছর বয়সী ঘাতক টোবিয়াস জার্মান নাগরিক। হামলার আগে একটি ওয়েবসাইটে ২৪ পৃষ্ঠার একটি মেনিফেস্টো প্রকাশ করেন তিনি। বাংলাদেশসহ ২৩টি দেশের অভিবাসীদের হত্যার হুমকি দেন টোবিয়াস।

পরবর্তীতে মুছে ফেলা মেনিফেস্টোতে দেখা গেছে বাংলাদেশ ছাড়াও মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া, লিবিয়া, মিসর, ইসরায়েল, সিরিয়া, জর্ডান, লেবানন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ইরাক, ইরান, কাজাখস্তান, তুর্কমিনিস্তান, উজবেকিস্তান, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া, ফিলিপাইনের নাম উল্লেখ করেন জার্মান বন্দুকধারী।

টোবিয়াসের মতে, এই সব দেশ থেকে আসা অভিবাসীদের পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে দিতে হবে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে টোবিয়াসের তৎপরতা দেখে তাকে উগ্র জাতীয়তাবাদী হিসেবে শনাক্ত করেছে জার্মান পুলিশ। তার আগ্নেয়াস্ত্রটির লাইসেন্স ছিল। গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর ম্যাগাজিন।

বার্লিনে সংবাদমাধ্যমের কাছে চ্যান্সেলর মার্কেল জানান, জাতিবিদ্বেষের কারণেই যে এই হামলা, তা স্পষ্ট।

তিনি বলেন, ‘জাতিবিদ্বেষ ও ঘৃণা হলো বিষ। আমাদের মানতে হবে এই বিষ আমাদের সমাজেই রয়েছে এবং তা বহু অপরাধের জন্য দায়ী।’

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান নিশ্চিত করেন, নিহতদের মধ্যে অন্তত পাঁচজন তুর্কি অভিবাসী। জার্মান সরকারের যথাযথ তদন্তে হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য উঠে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আমারসংবাদ/জেআই