শিরোনাম

মিয়ানমারের ৫০ জন সেনা সদস্যকে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |  ০৭:৪৩, আগস্ট ২৩, ২০১৯

উত্তর রাখাইনের দুর্গম মিনবায়া ও মারুক অঞ্চলে আরাকান আর্মি’র অবস্থানে হামলা চালিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের ওই হামলায় দুটি সামরিক হেলিকপ্টার ও গোলন্দাজ বাহিনী এই হামলায় অংশ নিয়েছে।

এসব হামলার পাল্টা জবাব দেয়া হলে মিয়ানমারের ৫০ জন সেনা সদস্য ও তাদের তিন সদস্য নিহত হয়েছেন।

এছাড়া আরও অনেকে আহত হয়েছে বলে আরাকান আর্মির তরফে দাবি করছে।

মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতি জানিয়েছে, আরাকান আর্মির দাবি করা হতাহতের সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আর হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।

সংবাদমাধ্যমটির খবরে বলা হয়েছে, দুই পক্ষের লড়াইয়ে নিরাপদ জায়গার সন্ধানে নিজেদের বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে অন্তত তিনটি গ্রামের বাসিন্দারা।

আরাকান আর্মি’র তরফে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা নাগাদ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দুই শতাধিক পদাতিক সেনা তাদের নিয়ন্ত্রিত দাই থা গ্রামের দিকে অগ্রসর হলে যুদ্ধ শুরু হয়।

সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত ওই গ্রামের দক্ষিণপূর্ব এলাকায় যুদ্ধ চলে বলে জানায় সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।

আরাকান আর্মির দাবি তারা সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যকে হত্যা করেছে আর নিজেদের তিন সদস্য মারা গেছে।

গোষ্ঠীটির দাবি, মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির মুখে সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার ডেকে পাঠায়। এসব হেলিকপ্টার ক্ষেপণাস্ত্র ও মেশিনগান ব্যবহার করে বনাঞ্চলে হামলা চালায়।

আরাকান আর্মির দাবি করা হতাহতের সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

জাতিগত সংঘাত ও দারিদ্র্য-জর্জরিত রাখাইনে কেবল রোহিঙ্গারাই একমাত্র নিপীড়িত জাতিগোষ্ঠী নয়। রাখাইন বৌদ্ধরা (আরাকান জাতিভূক্ত) সহ সেখানকার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী সেনাপ্রাধান্যশীল কেন্দ্রীয় সরকারের নিপীড়নের শিকার হয়।

গত এপ্রিলে পুলিশের একটি রেজিমেন্ট ও সেনা অবস্থানে হামলার পর মারুক উ এলাকায় বিমান হামলা চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী। জুলাইয়েও বুথিডং এলাকায় একই ধরণের হামলা চালানো হয়।

বৃষ্টির মওসুম শুরু হলেও আরাকান আর্মি ও সেনাবাহিনীর মধ্যে বিচ্ছিন্ন লড়াইয়ের ঘটনা কমেনি। চলতি বছরে শুরু হওয়া দুই পক্ষের লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

এমএআই

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত