শিরোনাম

সুলভ ত্রাণের সুবাদে গেড়ে বসেছে রোহিঙ্গারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক  |  ১৯:৪৭, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯

দুবাইয়ের আল ধাফরা অঞ্চলের শাসকের প্রতিনিধি এইচ এইচ শেখ হামদান জায়েদ আল নাহিয়ানের নেতৃত্বে আমিরাত রেড ক্রিসেন্ট এবং ইআরসির অব্যাহত ত্রাণ সহযোগিতায় দেশের মাটিতে গেড়ে বসেছে রিফিউজি রোহিঙ্গারা। মানবিক কারণে সংস্থাগুলো রোহিঙ্গাদের মধ্যে সুলভ ত্রাণ বিতরণ করছে।

ত্রাণ বিতরণের এই কার্যক্রমকে ত্রাণ বিতরণকারী সংস্থাগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে শরণার্থীদের জন্য মানবিক সাহায্য বলে দাবি করছে। একইসাথে যুক্তরাজ্য থেকে আমিরাতি মেডিকেল ছাত্র দাবি করে একদল স্বেচ্ছাসেবক কক্সবাজারের ৭০০০ রোহিঙ্গা ও শিশুদের জন্য প্যাকেটজাত খাবার ও নানা উপহার পাঠিয়েছে।

মেডিকেল স্বেচ্ছাসেবকদল ঢাকায় আসার সাথে মিল রেখে একই সময় একটি ইআরসি প্রতিনিধি দলও ঢাকায় পৌঁছেছে সম্প্রতি। প্রতিনিধি দলটি স্বেচ্ছাসেবকদলকে সহযোগিতা করবে এবং শরণার্থী শিবিরের পরিসেবা উন্নয়নের লক্ষ্যেই কাজ করবে বলে আমিরাতি নিউজ এজেন্সির এক খবরে জানা গেছে।

এ লক্ষ্যে যুক্তরাজ্য থেকে আগত আমিরাতি মেডিকেল স্বেচ্ছাসেবকদল মালয়েশিয়ার একটি ফিল্ড হাসপাতাল পরিদর্শন করে এবং সংশ্লিষ্টদের সেবা দানের ব্যাপারে দিক নির্দেশনা প্রদান করে।

স্বেচ্ছাসেবদলের ব্যাপারে ইআরসি’র সেক্রেটারি জেনারেল বলেন শরণার্থীদের সহযোগিতায় তাদের দেশের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তারা স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতা করছে।

সরকার কূটনৈতিকভাবে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে মায়ানমারে ফেরত পাঠাতে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও সুলভ ত্রাণের জন্য তারা এখানেই বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে আছে যার আরেক চিত্র ফোটে ওঠে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির এক ব্রিফিংয়ে।

ক্ষুধা ও খাদ্য নিরাপত্তার সাথে জড়িত বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংস্থা ডব্লিউএফপি’র চলতি মাসে প্রকাশিত এক ব্রিফিংয়ে জানা যায়, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ত্রাণ হিসেবে এ পর্যন্ত সংস্থাটি ৮৯২১.৮৩ মেট্রিক টন বিভিন্ন রকম খাদ্য সরবরাহ করেছে।

রিপোর্টে আরো বলা হয় সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত আগামী ছয় মাসে বাংলাদেশের জন্য সংস্থাটির বরাদ্দ ৭৪.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যার ৭২.৭৪ মিলিয়নই বরাদ্দ দেয়া হয়েছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ত্রাণের জন্য।

সূত্র: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ও রিলিফওয়েব

এসএ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ


সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত