শিরোনাম

আল-কায়েদা প্রধান অসীম ওমর মার্কিন হামলায় নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক   |  ০১:৪২, অক্টোবর ০৯, ২০১৯

মার্কিন হামলায় নিহত হয়েছে আল-কায়েদার দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান মাওলানা অসীম ওমর। আফগানিস্তানে মার্কিন বিমান হামলায় তার নিহতের খবরটি মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা অধিদপ্তরে টুইটারে প্রকাশ করে।

টুইটে আরো বলা হয় গত ২৩ সেপ্টেম্বর (২০১৯) তার ছয়জন সহযোগিসহ মার্কিন-আফগান যৌথ অভিযানে হেলমান্দ প্রদেশের মুসা কালা জেলার তালেবান চত্ত্বরে মারা যান।

জন্মগতভাবে ভারতের উত্তর প্রদেশের সাম্ভাল অঞ্চলের দীপা সারাই এলাকার অধিবাসী। স্থানীয়ভাবে তিনি সানাউল হক আলিয়াস সান্নু নামে পরিচিত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র তাকে `বিশ্ব সন্ত্রাস‘ বলে ঘোষণা দিয়েছিল ২০১৮ সালে। তখন তিনি পাকিস্তানে পালিয়ে যান।

উত্তর প্রদেশের দারুল উলুম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করেন তিনি। এরপর ভর্তি হন পাকিস্তানের ‘ইউনিভার্সিটি অব জিহাদ’ নামে পরিচিত নাওসেরার দারুল উলুম হাকানিয়া মাদ্রাসায়।

জিহাদি সাহিত্য ও সমরাস্ত্র প্রশিক্ষণের পর হারকাত-উল-মুজাহিদীনে যোগ দেন তিনি। পরবর্তীতে পাকিস্তানের তাহরিক-ই-তালেবানে (টিটিপি) চলে যান।

২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ (একিউআইএস) শাখা গঠন করে সংগঠনটির নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরি একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি ভারত, মিয়ানমার ও বাংলাদেশে অভিযান চালানোর ঘোষণা দেন। সেবছরই তিনি এই শাখার প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেন ওমরকে।

দিল্লি পুলিশের অভিযানে আটক আল-কায়েদা প্রশিক্ষণ ও নিয়োগদাতা মোহাম্মদ আসিফের মাধ্যমে এ তথ্য জানতে পারে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

তখন ওমরের আল-কায়েদায় যোগ দেওয়ার ঘটনায় অবাক হয় গোয়েন্দা সংস্থা। কারণ ২০০৯ সাল থেকেই ওমর তাদের নজরদারিতে ছিলেন। সেসময় তারাই ওমরের পরিবারকে জানায়, তাদের ১৪ বছরের ছেলে নিখোঁজ ওমর বেঁচে আছে এবং টিটিপির হয়ে কাজ করছে।

ঘটনা জানতে পেরে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত তার পরিবারের বেশ কয়েক সদস্য অবাক হয়। পরে ওমরের বাবা ইরফান-উল-হক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওমরকে ‘ত্যাজ্য’ বলে ঘোষণা করেন।

এদিকে, ১৯৯৫ সালে নিখোঁজ হওয়ার আগে মক্কা যাওয়ার জন্য পরিবারের কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেছিলেন ওমর।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত