শিরোনাম

দেশের সব সীমান্তে ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   |  ০৩:১৯, জুলাই ১১, ২০১৯

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) যৌথ প্রচেষ্টায় যশোরের ৮ দশমিক ৩ কিলোমিটার সীমান্ত ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সীমান্তেও ‘ক্রাইম ফ্রি জোন’ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সংসদ সরকারি দলের সদস্য মমতাজ বেগমের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি বলেন, সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কার্যকর সীমান্ত ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ‘বর্ডার সার্ভিল্যান্স এন্ড রেসপন্স সিস্টেম’ স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।মায়ানমার সংলগ্ন সীমান্তসহ মোট ৩২৮ কিলোমিটার স্পর্শকাতর সীমান্তে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলমান রয়েছে।

জয়পুরহাট, কুষ্টিয়া ও কক্সবাজার সীমান্তবর্তী এলাকায় অধিকতর নজরদারি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সিসি ক্যামেরা ও শক্তিশালী সার্চ লাইট স্থাপন করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত সুন্দরবন অঞ্চলে ২টি ভাসমান বিওপিসহ মোট ১৪১টি বিওপি স্থাপন করা হয়েছে। নতুন বিওপি স্থাপনের ফলে ৫৩৯ কিলোমিটার অরক্ষিত সীমান্তের মধ্যে ৪০২ কিলোমিটার ইতোমধ্যে সুরক্ষিত হয়েছে।

বিজিবির সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০০৯ সাল থেকেে এখন পর্যন্ত ৪৩৮ জন নারী সৈনিকসহ মোট ২৬ হাজার ৬১১ জন সৈনিক ও অসামরিক এই বাহিনীতে নিয়োগ এবং ৩৬ হাজার ১১০ জন সদস্যকে বিভিন্ন পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি জানান, বিজিবির জনবল ঘাটতির বিষয়টি বিবেচনাপূর্বক সরকার নতুন ১৫ হাজার জনবলের প্রাধিকার নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে।

আরআর

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত