ডেঙ্গুতে নারী-শিশুসহ আরো ৩ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১৭:৩৬, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯

নিয়ন্ত্রীত ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘন্টায় খুলনা, বরিশাল ও যশোরে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জিহাদ (১৪) নামের স্কুলছাত্রের বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) পৌনে দুইটার দিকে মৃত্যু হয়েছে।

জিহাদ মুলাদী উপজেলার চরলক্ষিপুর গ্রাামের বাসিন্দা। সে মুলাদিও একটি স্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্র। জিহাদ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে সে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি হয়। তবে ভর্তির সময় তার অবস্থা গুরুতর ছিল বলে জানান চিকিৎসকরা।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে বিভাগের জেলা, উপজেলা ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ৬৭ জন। মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) এ রোগীর সংখ্যা ছিল ৬৬ জন।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) এ রোগীর সংখ্যা ছিল ৬৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) চিকিৎসাধীন ৪১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। বিভাগের সকল হাসপাতাল গুলোতে বর্তমানে নতুন ও পুরাতন মিলিয়ে মোট ২১৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এদিকে, বুধবার সকালে যশোওে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাহিদা খাতুন (৩৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি জেলার মনিরামপুর উপজেলার হানুয়ার গ্রামের কাদের মোল্লার স্ত্রী। গত ৯ সেপ্টেম্বর তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ওবায়দুল কাদের উজ্জ্বল জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত জাহিদার মৃত্যু হয়েছে। তবে ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেও তিনি লিভারসিরোসিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় যশোরে নতুন করে ৪৮ জন জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছে ৫৩ জন। আর চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২২৪ জন।

এছাড়াও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রহিমা বেগম (৫০) নামের এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে।

তিনি গত মঙ্গলবার গভীর রাতে খুমেকে চিকিৎসাধীন মারা যান। সাতক্ষীরার তালা উপজেলার আজরাইল গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী তিনি।

খুমেকের আরপি ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস জানান, রহিমা বেগম গত সোমবার হাসপাতালে ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ভর্তি হন। মঙ্গলবার গভীর রাতে চিকিৎসা চলাকালীন তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে খুলনায় ১১ রোগী ডেঙ্গুজ্বরে মারা গেছেন।

এমএইস/এমএআই