মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২০

১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

ই-পেপার

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

জানুয়ারি ১৪,২০২০, ১০:১০

ফেব্রুয়ারি ০৯,২০২০, ১০:০৯

প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ প্রত্যাহার দাবিতে মানববন্ধন

বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকাত হাসানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে সর্বস্তরের জনগণের সাথে পাথরঘাটা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটি, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। উপজেলার চরদুয়ানি বাজারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয় এতে কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এর আগে পাথরঘাটা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনও করে তারা। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানি ইউনিয়নে খালের পাড়ে সরকারি জমি দখলের উদ্দেশ্যে নির্মিত দুর্গাপূজা মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের যে অভিযোগ উঠেছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বরগুনা-২ আসনের সংসদ শওকাত হাসানুর রহমান রিমন হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘনিষ্টজন, হিন্দুদের সম্মান, সম্পত্তি রক্ষায় তার পৃষ্ঠপোষকতা আমাদের চরম সন্তোষ্টি রয়েছে দাবি করে পাথরঘাটা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটি হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য শওকত হাসানুর রহমান রিমনকে নিয়ে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। প্রিয়ংকা মিত্র নামে এক অসাধু নারী সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি নষ্টের চেষ্টা করছে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা জানান, পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী বাজারের কাছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়ি বাঁধের গেট নির্মাণের উদ্যোগ নিলে প্রিয়ংকা মিত্র তার পৈত্রিক সম্পত্তি দাবি করে রাতারাতি প্রতিমা স্থাপন করে মন্দির নির্মাণ করে। সেখানে নির্মিত মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে কাজে বাধা দেন। প্রকৃতপক্ষে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানা জমি দখলের উদ্দেশ্যে পিয়ংকা মিত্র নানা ফন্দি করছে। সেখানে পূর্ব থেকে কোনো মন্দির না থাকলেও একটি ছাপড়া ঘর তুলে একটি প্রতিমা স্থাপন করে। জমিতে তার কোনো সত্ত না থাকলেও সে তার মন্দির ভাঙচুর করা অভিযোগ করে স্থানীয় সাংসদ শওকত হাসানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে প্রিয়াংকা মিত্র বিভিন্ন সংবাদপত্রে ভুল ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে হয়রানি করছে বলেও অভিযোগ করেন। এ ব্যপারে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রিয়ংকা মিত্র জানান, সংসদ সদস্য আমাকে ধাক্কা দিয়েছে ও মন্দির ভাঙচুর করেছে। পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহাবউদ্দিন জানান, প্রতিমা ভাঙচুর বা অপ্রীতিকর ঘটনার খবর তাদের জানা নেই অথবা প্রিয়ংকা মিত্র বা তার কোনো স্বজন পাথরঘাটা থানায় কোনো রকম অভিযোগ দেননি।