সোমবার ০৬ জুলাই ২০২০

২২ আষাঢ় ১৪২৭

ই-পেপার

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ০১,২০২০, ০২:২৫

জুলাই ০১,২০২০, ০২:২৫

ট্রেনে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

 

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ট্রেনের প্রতি দুই আসনের বিপরীতে একজন যাত্রী বসার কথা থাকলেও কুমিল্লায় তা মানা হচ্ছে না। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ট্রেনের সবগুলো আসনে যাত্রী বসছে। নির্দিষ্ট আসনের বাইরে টিকিট বিক্রি সম্ভব না হলেও দাঁড়িয়ে যাত্রীদের গন্তব্যে পার হতে দেখা গেছে।

ট্রেনের ভিতরে বেশির ভাগ যাত্রীকে কোনো ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। প্রায় অর্ধেক যাত্রীর মুখে ছিল না কোনো মাস্ক। ট্রেনের টিকিট সীমিত বিক্রি হলে প্রায় সবগুলো আসন পূর্ণ ছিল। ট্রেনের দরজা ও মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছিল বেশকিছু যাত্রী। ট্রেনে খাবার বিক্রির কোনো বিধান না থাকলেও প্রচুর হকারকে ট্রেনে উঠে খাবার বিক্রি করতে দেখা গেছে।

যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অনেক যাত্রী অনলাইনে টিকিট কাটলেও প্রতি দুই আসনের বিপরীতে একজন বসার বিধান তাদের জানা নেই। সে সুযোগে টিকিট ছাড়া উঠে যাওয়া যাত্রীরা আসন ফাঁকা পেয়ে বসে গেলে কারও কিছু বলার সুযোগ থাকে না। স্টেশনগুলোতে টিকিট বিক্রি না হলেও তদারকি না থাকায় বিনা টিকিটে যাত্রীরা রেলে ভ্রমণ করেন।

অভিযোগ রয়েছে, ট্রেনের দায়িত্বরতরা টিটিই ও স্টাফরা যাত্রীদের থেকে বাড়তি টাকা নিয়ে অতিরিক্ত যাত্রীদের বসার সুযোগ করে দেন।

কুমিল্লা রেলওয়ের একটি সূত্রে জানা যায়, ট্রেনে পর্যাপ্ত লোকবল নেই। অনিয়ম রোধ করার মতো যে ধরনের লোকবল দরকার, ঘাটতি থাকায় যাত্রীদের নিয়ম মানানো কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ ব্যাপারে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা আনসার আলী জানান, এ ধরনের ঘটনা তদারকির জন্য স্পট টিম রয়েছে। লোকাল স্টেশনগুলোতে অনেকে উঠে পড়ে। পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায় এসব মনিটরিং করা কঠিন হয়ে পড়ে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পাঁচজন টিকিট কাটলে তার সাথে আরও পাঁচজন আত্মীয় উঠে পড়ে। আবার পরিবারের সদস্যরা আলাদা বসতে চান না। অনিয়মের ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আমারসংবাদ/জেআই