মঙ্গলবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

৫ ফাল্গুন ১৪২৬

ই-পেপার

প্রিন্ট সংস্করণ॥অর্থনৈতিক প্রতিবেদক

জানুয়ারি ২১,২০২০, ০১:৩৮

ফেব্রুয়ারি ০৯,২০২০, ১০:০৯

সরকারি প্রতিষ্ঠানের ৫০ শতাংশ অর্থ বাণিজ্যিক ব্যাংকে রাখার নির্দেশ

আগামী ১ এপ্রিল থেকে সব ধরনের ব্যাংকঋণে সুদহার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ এবং আমানতে সুদহার সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে গিয়ে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যাতে কোনোরকম আমানত সংকটে না পড়ে, তা দূর করতে নতুন বিধান করেছে সরকার। বিধান অনুযায়ী সরকারের নিজস্ব অর্থের ৫০ শতাংশ বাধ্যতামূলকভাবে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকে রাখা হবে। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবিষ্যৎ তহবিলের অর্থ, পেনশন তহবিলের অর্থ এবং এনডাউনমেন্ট ফান্ডের অর্থের আওতা এর বহির্ভূত থাকবে। ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ বিষয়ক একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। ওই প্রজ্ঞাপনে সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে আমানত রাখার সর্বোচ্চ সুদের হারও নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকে মেয়াদি আমানত রাখলে সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৫ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকে এ অর্থের সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ হারে সুদ পাওয়া যাবে। এ বিষয়ক অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) এবং পরিচালন বাজেটের আওতায় প্রাপ্ত অর্থ, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা এবং সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানির নিজস্ব তহবিলের উদ্বৃত্ত অর্থের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাংলাদেশে ব্যাংকিং ব্যবসায় নিয়োজিত বেসরকারি ব্যাংক অথবা আর্থিক প্রতিষ্ঠান অথবা উভয় ধরনের প্রতিষ্ঠানে আমানত রাখার জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে সুদের হার এক অংকে নামিয়ে আনা প্রয়োজন। সে প্রেক্ষিতে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ওই উৎসগুলোর উদ্বৃত্ত অর্থ সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ সুদহারে রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকে এবং মোট উদ্বৃত্ত অর্থের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ছয় শতাংশ সুদহারে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকে মেয়াদি আমানত রাখা যাবে। সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী জানান, ব্যাংকের সুদহার বেঁধে দেয়ার পর আমানতকারীদের সবাই যাতে সরকারি ব্যাংকের দিকে ঝুঁকে না পড়েন, তা ঠেকাতে বেসরকারি ব্যাংকে ডিপোজিটে মুনাফা বেশি থাকবে। যদি সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যাংকে ডিপোজিটের ক্ষেত্রে যদি সুদহার ৬ শতাংশ করে দেয়া হয়, তাহলে সবাই সরকারি ব্যাংকে টাকা রাখবে। তাই সরকারি ব্যাংকে ডিপোজিটের সুদহার হবে সাড়ে ৫ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকে ডিপোজিটের ক্ষেত্রে সুদহার হবে ৬ শতাংশ। দুই জায়গায় ৬ শতাংশ হলে, বিভিন্ন কারণে সবাই চলে যাবে সরকারি ব্যাংকে। এজন্য আমরা এক্ষেত্রে .৫ শতাংশ পার্থক্য রাখছি? আমারসংবাদ/এসটিএমএ