রবিবার ০৫ এপ্রিল ২০২০

২২ চৈত্র ১৪২৬

ই-পেপার

আমার সংবাদ ডেস্ক

মার্চ ১৮,২০২০, ০৯:৩১

মার্চ ১৮,২০২০, ০৯:৩১

দাম কমলো স্বর্ণের

 

মহামারি করোনাভাইরাসের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য হ্রাস এবার আঘাত হেনেছে স্বর্ণের বাজারে। ফলে দীর্ঘদিন পর দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বুধবার (১৮ মার্চ ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ ) থেকে স্বর্ণের নতুন দর কার্যকর হবে।

আন্তর্জাতিক বাজারে (দুবাই) মঙ্গলবার প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ছিল ৪৬ দশমিক ২২ ডলার। এ হিসাবে স্থানীয় মুদ্রায় প্রতিভরির দাম পড়ে (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা হিসাবে) ৪৫ হাজার ৮২৪ টাকা। ফলে দুবাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশি বাজারে ভরিতে পার্থক্য প্রায় ১৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ স্বর্ণের বাজারে বিশৃংখলা চলছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতিভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ হাজার ৩৬১ টাকা। বুধবার এর দাম ছিল ৬১ হাজার ৫২৭ টাকা। এ হিসাবে ভরিতে দাম কমেছে ১ হাজার ১৬৬ টাকা।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতিভরি ৫৯ হাজার ১৯৪ টাকা থেকে কমে ৫৮ হাজার ২৮ টাকায় বিক্রি হবে। এ হিসাবে ভরিতে দাম কমেছে ১ হাজার ১৬৬ টাকা।

১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ প্রতিভরি ৫৪ হাজার ১৭৯ টাকা থেকে কমে ৫৩ হাজার ১২ টাকায় বিক্রি হবে। ফলে ভরিতে দাম কমেছে ১ হাজার ১৬৬ টাকা। একই হারে কমে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতিভরি ৪০ হাজার ২৪০ টাকায় বিক্রি হবে।

অন্যদিকে রূপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতিভরি রূপা ৯৩৩ টাকায় বিক্রি হবে। তবে একজন ক্রেতা কোনো জুয়েলারির দোকান থেকে স্বর্ণের অলংকার কিনতে চাইলে তাকে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট দিতে হয়। এরপর ভরিতে প্রায় ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত মজুরি দিতে হয়।

এর আগে সর্বশেষ গত ১৮ ফেব্রুয়ারি স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, মানভেদে দেশে চার ধরনের স্বর্ণ বিক্রি হয়। এর মধ্যে ২২ ক্যারেটে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ, ২১ ক্যারেটে ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ, ১৮ ক্যারেটে ৭৫ শতাংশ বিশুদ্ধ স্বর্ণ থাকে। আর পুরনো স্বর্ণালংকার গলিয়ে তৈরি করা হয় সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ। এ ক্ষেত্রে বিশুদ্ধ স্বর্ণের পরিমাণ নির্দিষ্ট করা নেই।

আমারসংবাদ/জেআই